বাংলাদেশের নগর পরিবহনে ই-রিকশা এখন নিত্যদিনের অংশ। তবে দীর্ঘদিন ধরে এই যানবাহনগুলো নিয়ে নিরাপত্তা, মানহীন নকশা এবং সরকারি অনুমোদন না থাকার অভিযোগ ছিল। এই বাস্তবতায় বড় পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)।
বুয়েটের গবেষণা ও প্রকৌশলীদের নকশায় তৈরি দেশের প্রথম মানসম্মত ই-রিকশা ইতোমধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন এখন একটাই— বুয়েটের ই-রিকশার দাম কত টাকা এবং এটি কোথায় পাওয়া যাবে?
এই পোস্টে সহজ ভাষায় সব তথ্য জানানো হলো বুয়েটের ই-রিকশা সম্পর্কে।
Content Summary
বুয়েটের ই-রিকশা কী?
বুয়েটের ই-রিকশা হলো বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের গবেষণাভিত্তিক নকশায় তৈরি একটি স্ট্যান্ডার্ড ই-রিকশা।
Above all, এটি সাধারণ বাজারের ইজিবাইকের মতো নয়। নিরাপত্তা, গতি নিয়ন্ত্রণ ও কাঠামোগত মান নিশ্চিত করেই এই রিকশার নকশা করা হয়েছে।
বুয়েটের ই-রিকশার দাম কত টাকা
সরকারি ও পরীক্ষামূলক পর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে বুয়েটের ই-রিকশার সম্ভাব্য দাম: ১,৯০,০০০ টাকা থেকে ২,২০,০০০ টাকা
দামের পার্থক্য হতে পারে,
- ব্যাটারির ধরন অনুযায়ী
- উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের উপর
- অতিরিক্ত ফিচার সংযোজনের কারণে
এই দামের মধ্যে উন্নত ব্রেকিং সিস্টেম, ভারসাম্যপূর্ণ চ্যাসিস ও দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারির সুবিধা অন্তর্ভুক্ত।
আরও পড়ুনঃ আবারও বাড়ল এলপি গ্যাসের দাম:
বুয়েটের ই-রিকশার অফিসিয়াল নাম কী?
এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনো বাণিজ্যিক ব্র্যান্ড নাম ঘোষণা করা হয়নি।
তবে এটি পরিচিত হচ্ছে বুয়েট ডিজাইন ই-রিকশার নামে,
- BUET Designed E-Rickshaw
- BUET Approved E-Rickshaw
- BUET Model E-Rickshaw
অর্থাৎ এটি একটি নির্দিষ্ট ডিজাইন স্ট্যান্ডার্ড, যেটি অনুসরণ করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ই-রিকশা তৈরি করবে।
আরও পড়ুনঃ NEIR পদ্ধতি নিয়ে সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত
কোথায় পাওয়া যায় বুয়েটের ই-রিকশা
বর্তমানে এটি পুরোপুরি উন্মুক্ত বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না। পরীক্ষামূলক ও প্রকল্পভিত্তিকভাবে কিছু এলাকায় চালু আছে।
কোথা থেকে কিনবেন বুয়েটের ই-রিকশা
ধাপে ধাপে যেসব মাধ্যমে পাওয়া যাবে,
- সরকার অনুমোদিত উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান
- নির্ধারিত শোরুম ও ডিলার
- সিটি করপোরেশন ও চালক সমিতির মাধ্যমে প্রকল্পভিত্তিক বিতরণ
ভবিষ্যতে সাধারণ চালকদের জন্য কিস্তি ও ব্যাংক ফাইন্যান্স সুবিধাও যুক্ত হতে পারে।
কোথায় চলবে বুয়েটের ই-রিকশা
প্রাথমিকভাবে সরকারিভাবে বলা হচ্ছে যে বুয়েটের ই-রিকশার ঢাকার মধ্যে চলাচল করবে।
- ঢাকার নির্বাচিত এলাকা
- আবাসিক ও স্বল্প গতির সড়ক
- নির্দিষ্ট রুট ও জোনে
সফল হলে ধাপে ধাপে অন্যান্য মহানগর ও জেলা শহরেও চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ আইওটি ডাটা সিম কী? কিভাবে কাজ করে, কবে আসবে ও সাধারণ সিমের পার্থক্য
৫টি গুরুত্বপূর্ণ FAQ
হ্যাঁ, সরকারিভাবে নিবন্ধন ও লাইসেন্সের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
হ্যাঁ, তবে পর্যায়ক্রমে। শুরুতে প্রকল্পের মাধ্যমে, পরে সাধারণ বাজারে।
ব্যাটারি অনুযায়ী ৬–৮ ঘণ্টা।
নিরাপত্তা, স্থায়িত্ব ও সরকারি মান অনুযায়ী নকশার কারণে।
ভবিষ্যতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই সুবিধা আসতে পারে।
উপসংহার
বুয়েটের নকশায় তৈরি ই-রিকশা শুধু একটি নতুন যান নয়, বরং নিরাপদ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ নগর পরিবহনের একটি বড় উদ্যোগ।
এই প্রকল্প সফল হলে দুর্ঘটনা কমবে, চালক-যাত্রী উভয়ই উপকৃত হবে এবং পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থার দিকে বাংলাদেশ আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।
আরও পড়ুনঃ অনলাইনে মামলা করার নিয়ম: ঘরে বসেই কোর্টে মামলা করুন
এছাড়াও টেক নিউজ আপডেট নিয়মিত আপনার মোবাইলে পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।
ভিজিট করুন 👉
━ ━ ━ ━ ━ ━ ━ ━
ডিজিটাল টাচ ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন ।ডিজিটাল টাচ সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুনঃ এই লিংকে।


