প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ করা হয়েছে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) আধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে সীমান্ত সুরক্ষা জোরদার করছে।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও মাদক পাচার রোধে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ড্রোন, থার্মাল ক্যামেরা ও রাত দেখার যন্ত্র।
যেসব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে
সীমান্তে নজরদারির জন্য ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব ড্রোন দিয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা সহজে মনিটর করা যায়। রাতের বেলায় নজরদারির জন্য থার্মাল ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে।
এছাড়া সীমান্তে বসানো হয়েছে রেডার সিস্টেম। এই রেডার দিয়ে দূর থেকে যেকোনো নড়াচড়া শনাক্ত করা যায়।
সীমান্ত সড়কে বসানো হয়েছে আধুনিক চেকপোস্ট। এসব চেকপোস্টে যানবাহন ও ব্যক্তিদের তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।
সীমান্তে সেন্সর ও অ্যালার্ম সিস্টেম
সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বসানো হয়েছে সেন্সর। কেউ অবৈধভাবে সীমান্ত পার হতে চাইলে এই সেন্সর সংকেত পাঠাবে এবং অ্যালার্ম বেজে উঠবে।
এতে দ্রুত সময়ে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
প্রযুক্তি ব্যবহারে সুফল
বিজিবির একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে সীমান্তে অপরাধ কমেছে। বিশেষ করে চোরাচালান ও মাদক পাচারের ঘটনা অনেকাংশে কমে এসেছে।
তিনি আরও জানান, সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর ফলে অবৈধ অনুপ্রবেশও কমেছে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ভবিষ্যতে সীমান্তে আরও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে স্যাটেলাইট মনিটরিং সিস্টেম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক নজরদারি।
এছাড়া সীমান্তে কর্মরত বিজিবি সদস্যদের জন্য আধুনিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
চ্যালেঞ্জ কী
সীমান্ত নিরাপত্তায় প্রযুক্তি ব্যবহারে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহ, ইন্টারনেট সংযোগ এবং প্রযুক্তিগত জ্ঞান।
তবে বিজিবি বলছে, এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তারা কাজ করছে।
আরও পড়ুনঃ
নিয়মিত টেক নিউজ আপডেট মোবাইলে পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।
ভিজিট করুন 👉
━ ━ ━ ━ ━ ━ ━ ━
ডিজিটাল টাচ ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন ।ডিজিটাল টাচ সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুনঃ এই লিংকে।


