দেশে প্রত্যেক নাগরিকের ঘাড়ে সরকারি ঋণের পরিমাণ বেড়ে ১ লাখ ৩৩ হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাস শেষে মোট সরকারি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৩ লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকা। (বাংলাদেশ ব্যাংক)
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি ৬০ লাখ। সেই হিসাবে প্রত্যেক নাগরিকের ঘাড়ে ঋণের পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে প্রায় ১ লাখ ৩৩ হাজার টাকা। (বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো)
ঋণ বাড়ার কারণ
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সরকারের রাজস্ব আয় কম এবং ব্যয় বেশি হওয়ায় ঋণ বাড়ছে। বিশেষ করে ভর্তুকি, বেতন-ভাতা এবং উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় বেড়েছে।
এছাড়া কর ফাঁকি ও রাজস্ব আহরণে ঘাটতির কারণে সরকারকে বেশি ঋণ নিতে হচ্ছে।
বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও বাংলাদেশের ঋণ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
ঋণের বোঝা কতটা চাপ তৈরি করছে
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঋণ বাড়লে ভবিষ্যতে সুদ পরিশোধের চাপ বাড়বে। এতে উন্নয়ন খাতে ব্যয় কমাতে হতে পারে।
এছাড়া ঋণ বেশি হলে দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতা ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘ঋণ বাড়লেও তা এখনো নিয়ন্ত্রণে আছে। তবে রাজস্ব আয় বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে।’
সরকারের পরিকল্পনা
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কর ফাঁকি রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘ঋণ নেওয়া মানে সব সময় খারাপ নয়। তবে ঋণ নিয়ে তা উৎপাদনশীল খাতে ব্যয় করতে হবে।’
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
সরকার জানিয়েছে, আগামী অর্থবছরে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হবে। নতুন কর স্ল্যাব ও করযোগ্য খাত সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
এছাড়া সরকারি ব্যয়ে কৃচ্ছ্রতা আরোপ করা হবে।
আরও পড়ুনঃ
নিয়মিত টেক নিউজ আপডেট মোবাইলে পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।
ভিজিট করুন 👉
━ ━ ━ ━ ━ ━ ━ ━
ডিজিটাল টাচ ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন ।ডিজিটাল টাচ সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুনঃ এই লিংকে।


