রোজা কবে শুরু হবে? এই প্রশ্নটি রমজান সামনে এলেই প্রায় সব মুসলমানের মনে আসে। কারণ রোজা শুধু একটি ইবাদত নয়, এটি পুরো একটি মাসের জীবনযাত্রা, আমল ও আত্মশুদ্ধির পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত। আগেভাগে রোজা কবে শুরু হবে জানা থাকলে মানসিক ও পারিবারিক প্রস্তুতি নেওয়াও সহজ হয়।
বর্তমান হিসাব অনুযায়ী ২০২৬ সালের রমজান আর খুব বেশি দূরে নয়। মধ্যপ্রাচ্যের ক্যালেন্ডার ও জ্যোতির্বিদ্যার হিসাব বিশ্লেষণ করে প্রাথমিকভাবে রোজা শুরুর সম্ভাব্য তারিখ জানা যাচ্ছে। তবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে সরকারিভাবে।
এই পোস্টে সহজভাবে জানানো হয়েছে রোজা কবে শুরু হবে, ২০২৬ সালে রমজানের সম্ভাব্য তারিখ, রোজা শুরু হতে আর কতদিন বাকি এবং রোজার ফযিলত কী।
Content Summary
রোজা শুরু হতে আর কতদিন বাকি?

বর্তমান হিসাব অনুযায়ী আজ থেকে রোজা শুরু হতে প্রায় ৬৯ থেকে ৭০ দিন বাকি রয়েছে। জ্যোতির্বিদ্যার ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে রমজান শুরু হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে সাধারণত বাংলাদেশের একদিন আগে রোজা শুরু হয়।
সে হিসেবে সেখানে যদি ১৯ ফেব্রুয়ারি রোজা শুরু হয়, তাহলে বাংলাদেশে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রথম রোজা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
তবে মনে রাখতে হবে, এটি সম্পূর্ণ সম্ভাব্য হিসাব। বাংলাদেশের জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির ঘোষণার পরই রোজা শুরুর চূড়ান্ত তারিখ নিশ্চিত হবে।
আরও পড়ুনঃ NEIR কি: ১৬ ডিসেম্বরের নতুন নিয়ম, সতর্কতা, রেজিস্ট্রেশন গাইড
রোজা কবে ২০২৬ সালে
২০২৬ সালে রোজা কবে শুরু হবে তা নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন ইসলামিক ক্যালেন্ডার ও হিজরি থেকে গ্রেগরিয়ান তারিখ রূপান্তরের তথ্য অনুযায়ী রমজান মাস শুরু হতে পারে ১৭ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে।
যেহেতু বাংলাদেশে সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের একদিন পর রোজা শুরু হয়, তাই বাংলাদেশে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে রমজানের প্রথম দিন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সেই অনুযায়ী ঈদুল ফিতর পালিত হতে পারে ২১ মার্চ ২০২৬ তারিখে।
চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করায় একদিন এদিক-সেদিক হতে পারে। তাই রোজা কবে শুরু হবে জানতে সরকারি ঘোষণার দিকে নজর রাখা জরুরি।
রোজার ফযিলত কি?
রোজা ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম একটি। এটি শুধু পানাহার থেকে বিরত থাকার নাম নয়, বরং আত্মসংযম, ধৈর্য ও তাকওয়া অর্জনের একটি পূর্ণাঙ্গ প্রশিক্ষণ।
রোজার মাধ্যমে একজন মুসলমান আল্লাহর নৈকট্য লাভ করে এবং নিজের নফসকে সংযত করার সুযোগ পায়।
ক্ষুধা ও তৃষ্ণা অনুভবের মাধ্যমে গরিব ও অসহায় মানুষের কষ্ট উপলব্ধি করা যায়, যা সহানুভূতি ও দানের মানসিকতা তৈরি করে।
রমজান মাসকে রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস বলা হয়। এই মাসে প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়।
তাই রোজার ফযিলত শুধু ব্যক্তিগত ইবাদতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি সামাজিক ও নৈতিক উন্নয়নেও বড় ভূমিকা রাখে।
আরও পড়ুনঃ অনলাইনে জমির মালিকানা চেক করার নিয়ম
FAQs
সম্ভাব্য হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রথম রোজা হতে পারে।
বর্তমান তারিখ অনুযায়ী রোজা শুরু হতে প্রায় ৬৯ থেকে ৭০ দিন বাকি রয়েছে।
না, এটি চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির ঘোষণাই চূড়ান্ত।
চাঁদ দেখার সময় ও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের একদিন পর বাংলাদেশে রোজা শুরু হয়।
রোজার মূল উদ্দেশ্য হলো তাকওয়া অর্জন, আত্মসংযম, ধৈর্য বৃদ্ধি এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভ।
উপসংহার
রোজা কবে শুরু হবে এই প্রশ্নের উত্তর জানার আগ্রহ স্বাভাবিক।
সম্ভাব্য হিসাব অনুযায়ী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির ২০ তারিখে বাংলাদেশে রমজান শুরু হতে পারে।
যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে চাঁদ দেখার পর।
রমজান শুধু একটি মাস নয়, এটি আত্মশুদ্ধি ও নৈতিক পরিবর্তনের একটি সুবর্ণ সুযোগ।
তাই তারিখ জানার পাশাপাশি এখন থেকেই মানসিক ও আমলগত প্রস্তুতি নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
আরও পড়ুনঃ জন্ম নিবন্ধন যাচাই অনলাইন চেক ও অনলাইন কপি ডাউনলোড
টেক দুনিয়ার সকল খবরাখবর সবার আগে পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।
ভিজিট করুন 👉
━ ━ ━ ━ ━ ━ ━ ━
ডিজিটাল টাচ ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন ।ডিজিটাল টাচ সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুনঃ এই লিংকে।


