বিজয় দিবসের সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা | বিজয় দিবস সম্পর্কে বিস্তারিত

প্রিয় পাঠকগণ বিজয় দিবসের সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা সম্পর্কে জানার জন্য আপনারা অনেকেই গুগলের মাধ্যমে সার্চ করেছেন। আজকে আর্টিকেলে আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করব বিজয় দিবসের কোন অনুষ্ঠানে আপনারা কিভাবে খুব সহজে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা প্রদান করতে পারবেন।

মূলত বিজয় দিবস হচ্ছে আমাদের একটি স্মরণীয় দিন এই দিনে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। এইসকল অনুষ্ঠানগুলোতে অনেক সময় আমরা অতিথি হিসেবে আবার অনেক সময় দায়িত্ব পালনে অংশগ্রহণ করে থাকি।

তবে এই সকল বিষয়গুলো ছাপিয়ে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের মধ্যে বিভিন্ন সময় আমাদের বক্তৃতা প্রদান করার প্রয়োজন হয়। সে সময় আপনারা বিজয় অনুষ্ঠানের মধ্যে কি বক্তৃতা প্রদান করবেন সে বিষয়ে আজকের এই আর্টিকেল গঠন করা হয়েছে।

বিজয় দিবসের সংক্ষিপ্ত বক্তব্য

বিজয় দিবসের সংক্ষিপ্ত বক্তব্য
বিজয় দিবসের সংক্ষিপ্ত বক্তব্য

নিচে আপনাদের উদ্দেশ্যে বিজয় দিবস সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বর্ণনা প্রদান করা হলো-

বক্তৃতাঃ আজ মহান বিজয় দিবস।১৬ ই ডিসেম্বর এর এই দিনে বাংলাদেশ লিখিতভাবে স্বাধীনতা অর্জন করেছে।

১৯৭১ সালের এই দিনে পৃথিবীর বুকে নতুন এক দেশের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল।

আর সেই দেশটির নাম হচ্ছে আমাদের আজকের এই বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের দামাল ছেলেরা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধে সাথে লিপ্ত হয়।

দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধ চলতে থাকে এবং শেষ পর্যন্ত বিজয় ছিনিয়ে আনে সাহসী সৈনিকরা।

বাংলাদেশের এই যুদ্ধ ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের জন্য যুদ্ধ।

পরাধীনতার বিরুদ্ধে স্বাধীনতার যুদ্ধ, মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার আদায়ের জন্য যুদ্ধ।

নিজের মাতৃভূমির কপালে বিজয় লাল টিপ পড়াতে লাখো শহীদ তাদের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে।

বাঙালি মা-বোনরা হারিয়েছে তাদের সম্মান হয়েছেন নির্যাতনের শিকার।

আমরা সেই লাখ লাখ বীর শহীদের স্মরণ করি এবং তাদের বুকের তাজা রক্ত গুলো কে সম্মান করে সামনে এগিয়ে যেতে চাই।

তাদের এই রক্তের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি আমাদের এই স্বাধীনতা।

আমরা পেয়েছি যে বিজয় সে বিজয় অর্জনের পথের মধ্যে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল আমাদের বাঙ্গালীদের মাঝেই কিছু মানুষ রুপী পশু।

বিজয়ের ৫১তম বছরে এসেও এই নরপশুদের এখনো পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে বিচারকার্য শেষ হয়নি।

লাখো লাখো বাঙ্গালীর রক্তের বিনিময় এবং বাংলার মা-বোনেদের সমন্বয়ের বিনিময় কেনা আমাদের মাতৃভূমি বাংলাদেশ এর মধ্যে যুদ্ধাপরাধীরা আজও পর্যন্ত বসবাস করছে।

এই লজ্জা আমাদের, এই অপমান আমাদের মায়ের মতো দেশের জন্য।

বিজয় দিবস নিয়ে কিছু কথা

আসুন আজ সবাই একসাথে আমরা শপথ গ্রহণ করি, বাঙালির মুক্তিযুদ্ধের বীর সাহসী সৈনিকদের রক্তে কেনা লাল-সবুজের বাংলাদেশে কোন যুদ্ধাপরাধীর জায়গা হবে না।

যুদ্ধ অপরাধীদের বিচারের আওতায় এনে সঠিক বিচার আমরা সকলেই চাই।

বিজয় দিবস সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বর্ণনা 

আমাদের বাংলাদেশ ভাষার জন্য আন্দোলন হয়েছিল ১৯৫২ সালে।

সেই সময় বীর বাঙালিরা শুধুমাত্র ভাষার জন্য নিজেদের বুক পেতে দিয়েছিল প্রতিপক্ষের সামনে।

শহীদ হয়েছিল অনেকজন কিন্তু সবকিছু ছাড়িয়ে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানীরা বাঙ্গালীদের উপর অত্যাচার-নিপীড়ন শুরু করে।

বীর বাঙালি এই সকল অত্যাচার এবং জুলুম মেনে না নিয়ে নিজেদের যা কিছু ছিল সব কিছু নিয়ে তাদের বিপক্ষে যুদ্ধে নেমে পড়ে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাঙালি জাতি হার না মানার উদ্যোগ গ্রহণ করে।

এরপর দীর্ঘ নয় মাস এই যুদ্ধ চলে এবং শেষ পর্যন্ত ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীরা আত্মসমর্পণ করেন।

আর এই দিনটি হচ্ছে আমাদের বিজয় দিবস। আমরা সকলেই সেই সকল শহীদদের শ্রদ্ধা জানাই যারা আমাদের দেশকে রক্ষার জন্য নিজেদের রক্ত ঝরিয়েছেন’।

আরও পড়ুনঃ

ধারালো যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করার ভাল পদ্ধতি

মাগো ওরা বলে কবিতা

স্কুল বিদায় বেলার কবিতা আবৃতি

বিজয় দিবসের সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা FAQS 

বিজয় দিবসের সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা দেয়ার নিয়ম কি?

আমরা সকলেই জানি বিজয় দিবস হচ্ছে আমাদের বাঙ্গালির জন্য গর্বের একটি দিন। এই দিনটি সম্পর্কে যদি আপনাদের সাধারন কিছু জানা থাকে তাহলে আপনারা এই দিনের বক্তব্য দিতে পারবেন।

উপসংহার 

প্রিয় পাঠকগণ আজকের এই আর্টিকেলে বিজয় দিবসের সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা কিভাবে প্রদান করতে হয় সে সম্পর্কে আপনাদেরকে জানানো হয়েছে।

আশা করছি আজকের এই আর্টিকেলটি আপনাদের ভালো লাগবে এবং আপনারা আজকের এই আর্টিকেল থেকে বিজয় দিবস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন।

আপনাদের যদি এই বিষয়ে কোনো মতামত অথবা প্রশ্ন থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না।

ঘরে বসে অনলাইন থেকে আয় করা কিভাবে সম্ভব সে সম্পর্কে আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন না।

তাই আপনাদের সুবিধার্থে আমরা কিভাবে অনলাইন থেকে আয় করতে পারেন সে সংক্রান্ত আর্টিকেলগুলো আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছি।

আপনারা চাইলে সেইসকল আর্টিকেলগুলো পড়তে পারেন এবং আমাদের ওয়েবসাইটের ফেসবুক পেইজে জয়েন হতে পারেন। 

Leave a Comment

2 + 1 =