জুলাই ও আগস্ট মাসের ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়ার সময়সীমা ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এক আদেশে এই সময় বাড়ায়।
এনবিআরের ভ্যাট অনলাইন সিস্টেমে জুলাই মাসের রিটার্ন জমার নির্ধারিত তারিখ ছিল ১৪ সেপ্টেম্বর এবং আগস্ট মাসের জন্য ১৪ অক্টোবর। এনবিআরের নতুন আদেশ অনুযায়ী, দুই মাসের রিটার্নই এখন ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত জমা দেওয়া যাবে।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, ভ্যাট অনলাইন সিস্টেমে ঢাকার বাইরের কয়েকটি সার্কেল থেকে জুলাই মাসের রিটার্ন জমার হার কম ছিল। এছাড়া কিছু প্রতিষ্ঠান কারিগরি সমস্যার কথা জানিয়েছে। এসব বিবেচনায় সময় বাড়ানো হয়েছে।
যেসব প্রতিষ্ঠান উপকৃত হবে
এই সময় বাড়ানোর ফলে দেশের সব ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান উপকৃত হবে। যেসব প্রতিষ্ঠান এখনো জুলাই মাসের রিটার্ন জমা দিতে পারেনি, তারা জরিমানা ছাড়াই জমা দিতে পারবে।
আগস্ট মাসের রিটার্ন জমার শেষ তারিখও ১৪ অক্টোবর থেকে বাড়িয়ে ১৫ অক্টোবর করা হয়েছে। এতে প্রতিষ্ঠানগুলো আরও একদিন সময় পাবে।
ভ্যাট আইন অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা না দিলে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জরিমানা আরোপ করা হয়। সময় বাড়ানোর ফলে সেই জরিমানা এড়ানো যাবে।
আরও পড়ুনঃ ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯-২ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ
কেন সময় বাড়ানো হয়েছে
এনবিআরের একজন কর্মকর্তা বলেন, ঢাকার বাইরে কয়েকটি ভ্যাট সার্কেলে জুলাই মাসের রিটার্ন জমার হার প্রত্যাশার চেয়ে কম ছিল।
তিনি আরও জানান, কিছু প্রতিষ্ঠান ভ্যাট অনলাইন সিস্টেমে কারিগরি সমস্যার কথা জানিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর সুবিধার্থেই সময় বাড়ানো হয়েছে।
এনবিআর চায়, সব ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা দেবে। এতে সরকারের রাজস্ব আদায়ও বাড়বে।
আরও পড়ুনঃ মা ইলিশ ধরলে ৬ মাসের কারাদণ্ড, বাতিল হবে জেলে কার্ড
আগামী মাসের সময়সীমা কী
সেপ্টেম্বর মাসের ভ্যাট রিটার্ন জমার নির্ধারিত সময় ১৪ নভেম্বর। এনবিআর এখনো সেপ্টেম্বর মাসের সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।
তবে জুলাই ও আগস্ট মাসের মতো সেপ্টেম্বর মাসেও সময় বাড়ানো হতে পারে বলে এনবিআর সূত্রে জানা গেছে।
ভ্যাট অনলাইন সিস্টেমে রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজেদের ভ্যাট নিবন্ধন নম্বর ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হয়।
রিটার্ন না দিলে কী হবে
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভ্যাট রিটার্ন জমা না দিলে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জরিমানা ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ করার সুপারিশ করা হতে পারে।
ভ্যাট আইন অনুযায়ী, রিটার্ন জমা না দেওয়া একটি গুরুতর অপরাধ। এনবিআর নিয়মিতভাবে রিটার্ন জমার হার মনিটর করে।
সময়মতো রিটার্ন জমা দিলে প্রতিষ্ঠানগুলো জরিমানা এড়াতে পারবে এবং ভ্যাট সংক্রান্ত কোনো জটিলতায় পড়বে না।
আরও পড়ুনঃ সরকারি দামেই বিক্রি করতে হবে এলপিজি, না মানলে কঠোর ব্যবস্থা
নিয়মিত টেক নিউজ আপডেট মোবাইলে পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।
ভিজিট করুন 👉
━ ━ ━ ━ ━ ━ ━ ━
ডিজিটাল টাচ ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন ।ডিজিটাল টাচ সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুনঃ এই লিংকে।


