সরকার নির্ধারিত দামেই এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি করতে হবে। কেউ কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বা নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দাম নিলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বুধবার সচিবালয়ে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে এক অনলাইন বৈঠকে এই নির্দেশ দেন।
তিনি বলেন, দেশে এলপিজির কোনো ঘাটতি নেই। তবে কিছু এলাকায় কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি করা হচ্ছে।
বাজারে বর্তমান পরিস্থিতি
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন চলতি সেপ্টেম্বর মাসের জন্য ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করে।
কিন্তু বাজারে সেই সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকায়। কোথাও কোথাও বাড়তি ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।
অনেক এলাকায় বাড়তি দাম দিয়েও সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। ডিলাররা বলছেন, সরবরাহ কমে গেছে।
আরও পড়ুনঃ বাংলা কিউআরে লেনদেনে কোনো চার্জ লাগবে না, অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা
জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা
মন্ত্রী জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিয়েছেন, কেন সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার পরও এলপিজি সংকটের অভিযোগ উঠছে এবং কেন নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দাম নেওয়া হচ্ছে—তার তথ্য ও প্রমাণসহ প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
প্রতিবেদন পাওয়ার পর আমদানিকারক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেসব এলাকায় সরবরাহ কম পাওয়া যাবে, সেখানে সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, কৃত্রিম সংকট তৈরি করা বা বিইআরসি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দাম নেওয়া হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুনঃ নতুন বাস ভাড়া তালিকা ২০২৬, ঢাকা থেকে দূরপাল্লার রুটে ভাড়া কত
আমদানি কমার কারণ
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট মাসে দেশে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৬০ টন এলপিজি আমদানি হয়। সেপ্টেম্বর মাসের ২২ তারিখ পর্যন্ত আমদানি হয়েছে ১ লাখ ১৮ হাজার ৭৪২ টন।
অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে আমদানি কমেছে প্রায় ২৫ শতাংশ। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগর দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় এই ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
আমদানিকারকরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে কার্গো প্রিমিয়াম ১৬০ ডলার থেকে বেড়ে ২৬০ থেকে ৪০০ ডলারে ঠেকেছে। ফলে অনেকেই আমদানি কমিয়ে দিয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ বিদেশিদের জন্য জাপানের নতুন পদক্ষেপ, কঠোর হলো স্থায়ী বসবাসের নিয়ম
অপারেটরদের বক্তব্য
সোমবার জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে এক সভায় আমদানিকারক ও অপারেটররা জানান, দেশে এলপিজির কোনো সংকট নেই।
তবে তারা স্বীকার করেছেন, চুক্তির পরিমাণের তুলনায় ২০ থেকে ৪০ শতাংশ কম পণ্য পাচ্ছেন।
এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি আমিরুল হক বলেছেন, খুচরা বাজারে দাম বৃদ্ধির দায় আমদানিকারকদের নয়। কারা সংকট তৈরি করছে তাদের চিহ্নিত করা উচিত।
আরও পড়ুনঃ কমলো টেলিটক সিম রিপ্লেসমেন্ট খরচ
নিয়মিত টেক নিউজ আপডেট মোবাইলে পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।
ভিজিট করুন 👉
━ ━ ━ ━ ━ ━ ━ ━
ডিজিটাল টাচ ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন ।ডিজিটাল টাচ সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুনঃ এই লিংকে।


