বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে ডিজিটাল লেনদেন আরও বাড়াতে নতুন প্রণোদনা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন ব্যবস্থায় ২ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি বাংলা কিউআরভিত্তিক লেনদেনের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট সর্বোচ্চ ৬ টাকা প্রণোদনা দেওয়া হবে। তবে এই অর্থ সরাসরি গ্রাহক বা বিক্রেতার হাতে যাবে না। লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত অ্যাকুয়ারিং ও ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান এই সুবিধা পাবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনায় বাংলা কিউআরভিত্তিক এনপিএসবি লেনদেনের জন্য মাসিক ভিত্তিতে প্রণোদনা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ২ হাজার টাকার লেনদেনে অ্যাকুয়ারিং প্রতিষ্ঠান পাবে ২ টাকা এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান পাবে ৪ টাকা। একই নিয়মে ১ হাজার টাকার লেনদেনে প্রতিষ্ঠান দুটি পাবে যথাক্রমে ১ টাকা ও ২ টাকা। এর ফলে বাংলা কিউআর ব্যবহারে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর আগ্রহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এই প্রণোদনার আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক বিক্রেতা এবং সেবা প্রদানকারীদের পাশাপাশি ট্রেড লাইসেন্সধারী অন্যান্য মার্চেন্ট পয়েন্টও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ২৭ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে সার্কুলার জারি করে দেশের ব্যাংক, এমএফএস, পিএসপি, পিএসও এবং আন্তর্জাতিক পেমেন্ট স্কিমগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে। নতুন সার্কুলারে আগের প্রণোদনা ব্যবস্থার আওতা আরও বিস্তৃত করা হয়েছে।
বাংলা কিউআর লেনদেনে নতুন প্রণোদনা ব্যবস্থা
বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট ২ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর জারি করা সার্কুলারে বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক এনপিএসবি লেনদেনের জন্য নতুন প্রণোদনা কাঠামো জানানো হয়েছে। নতুন নিয়মে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি লেনদেনের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট অ্যাকুয়ারিং ও ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত হারে অর্থ দেওয়া হবে।
আরও পড়ুনঃ দেশের সব হাট-বাজারে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন বাধ্যতামূলক, সময়সীমা ৩১ জানুয়ারি
২ হাজার টাকার লেনদেনে কত প্রণোদনা
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ২ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেনে অ্যাকুয়ারিং প্রতিষ্ঠানকে লেনদেনের ০.১০ শতাংশ হারে সর্বোচ্চ ২ টাকা এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠানকে ০.২০ শতাংশ হারে সর্বোচ্চ ৪ টাকা দেওয়া হবে।
অর্থাৎ কোনো বাংলা কিউআর লেনদেনের পরিমাণ ২ হাজার টাকা হলে দুই প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে মোট ৬ টাকা প্রণোদনা পাবে। আবার ১ হাজার টাকার লেনদেন হলে অ্যাকুয়ারিং প্রতিষ্ঠান পাবে ১ টাকা এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান পাবে ২ টাকা।
এই অর্থ গ্রাহক বা বিক্রেতাকে সরাসরি দেওয়া হবে না। লেনদেন সম্পন্নকারী প্রতিষ্ঠান এবং গ্রাহকের হিসাব বা কার্ড প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানই নির্ধারিত প্রণোদনা পাবে।
আরও পড়ুনঃ নিজের ভোটার এলাকা পরিবর্তন করবেন যেভাবে
যেসব মার্চেন্ট প্রণোদনার আওতায় থাকবেন
বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত সুবিধার আওতায় ব্যক্তিক রিটেইল হিসাবের মাধ্যমে অনবোর্ড করা ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক বিক্রেতা এবং সেবা প্রদানকারী মার্চেন্ট পয়েন্ট রয়েছে।
এর পাশাপাশি ট্রেড লাইসেন্সধারী অন্যান্য সব মার্চেন্ট পয়েন্টে সম্পন্ন হওয়া বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক এনপিএসবি লেনদেনও এই প্রণোদনার আওতায় আসবে।
এর আগে ১০ আগস্ট জারি করা পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট ২-এর সার্কুলার লেটারের ২ নম্বর অনুচ্ছেদে বাংলা কিউআর লেনদেনের জন্য প্রণোদনার বিধান করা হয়েছিল। নতুন সার্কুলারের মাধ্যমে সেই অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপন করে প্রণোদনার পরিধি বাড়ানো হয়েছে।
নতুন ব্যবস্থার ফলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ব্যবসায়ী এবং সেবা প্রদানকারীদের পাশাপাশি ট্রেড লাইসেন্সধারী অন্যান্য মার্চেন্ট পয়েন্টেও বাংলা কিউআরভিত্তিক লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রণোদনা পাওয়া যাবে।
আরও পড়ুনঃ এনআইডির জন্মতারিখ সংশোধনে নতুন নিয়ম, মাঠপর্যায়ে আবেদন নিষ্পত্তির সুযোগ
নিয়মিত টেক নিউজ আপডেট মোবাইলে পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।
ভিজিট করুন 👉
━ ━ ━ ━ ━ ━ ━ ━
ডিজিটাল টাচ ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন ।ডিজিটাল টাচ সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুনঃ এই লিংকে।


