আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার এলাকা বদলাতে চান এমন নাগরিকদের জন্য আবারও সুযোগ চালু করেছে নির্বাচন কমিশন। আগের নিয়মে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কার্যালয়ে আবেদন করে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে। ফলে নতুন এলাকায় বসবাসরত ভোটাররা যাচাই শেষে নিজেদের ভোটার তথ্য হালনাগাদ করার সুযোগ পাবেন।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় উপজেলা ও থানা পর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তাদের আগের নিয়মে আবেদন গ্রহণ, যাচাই এবং নিষ্পত্তির কাজ করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে অনলাইনে ভোটার এলাকা পরিবর্তনের সেবা চালুর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। অনলাইন ব্যবস্থা কার্যকর হলে ঘরে বসে আবেদন করার সুযোগ তৈরি হবে। তবে অনলাইন সেবা চালু হওয়ার পর নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ার পর ভোটার স্থানান্তর কার্যক্রম চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে আগামী নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনার কারণে ১০ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যক্রমটি বন্ধ রাখা হয়েছিল। এখন আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে যারা ভোটার এলাকা পরিবর্তন করতে চান, তারা নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে পারবেন এবং যাচাই শেষে অনুমোদন পেলে তথ্য হালনাগাদ হবে।
ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন প্রক্রিয়া
আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার এলাকা স্থানান্তর করতে চাইলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিস অথবা রেজিস্ট্রেশন অফিসারের কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে হবে। সেখানে নির্ধারিত ফরমে আবেদন জমা দেওয়ার মাধ্যমে প্রক্রিয়াটি শুরু করা যাবে।
সরাসরি যেভাবে ভোটার এলাকা পরিবর্তন করবেন
প্রথমে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কার্যালয় থেকে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের নির্ধারিত ফরম সংগ্রহ করতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্রসহ ফরমটি পূরণ করে জমা দিতে হবে।
আবেদন জমা দেওয়ার পর নির্বাচন কার্যালয় আবেদনকারীর তথ্য যাচাই করবে। যাচাই-বাছাই শেষে নিয়ম অনুযায়ী আবেদন নিষ্পত্তি করা হবে। অনুমোদন পাওয়া গেলে ভোটার এলাকার তথ্য সংশোধন বা হালনাগাদ করা হবে।
শুধু আবেদন জমা দিলেই ভোটার এলাকা পরিবর্তন সম্পন্ন হবে না। সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কার্যালয়ের যাচাই-বাছাই এবং অনুমোদনের পরই স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শেষ হবে।
আরও পড়ুনঃ স্টারলিংকের প্রযুক্তিতে প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্যাটেলাইট মোবাইল সেবা চালুর অনুমোদন পেল বাংলালিংক
অনলাইনেও ভোটার এলাকা পরিবর্তনের উদ্যোগ
সরাসরি আবেদনের পাশাপাশি অনলাইনে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের সেবা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এ জন্য জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের সিস্টেম ম্যানেজারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
অনলাইন সেবা চালু হলে ভোটাররা ঘরে বসে আবেদন করার সুযোগ পাবেন। তবে অনলাইন ব্যবস্থা পুরোপুরি সচল হওয়ার পর আবেদন করার নিয়ম ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী অনুসরণ করতে হবে।
আরও পড়ুনঃ এনআইডির জন্মতারিখ সংশোধনে নতুন নিয়ম
কেন আবার চালু হলো ভোটার স্থানান্তর
আগামী নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা থাকায় গত ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের কার্যক্রম বন্ধ রেখেছিল নির্বাচন কমিশন। পরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ায় এই কার্যক্রম পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
২৩ সেপ্টেম্বর ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরীর সই করা চিঠি দেশের সব উপজেলা ও থানা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে আগের নিয়মে ভোটার স্থানান্তরের আবেদন গ্রহণ, যাচাই-বাছাই এবং নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ভোটার এলাকা স্থানান্তরের পুরো কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং সিনিয়র জেলা বা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের তদারক করতে বলা হয়েছে। ফলে আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার এলাকা বদলাতে আগ্রহীরা এখন নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করতে পারবেন।
আরও পড়ুনঃ ২ কোটি শিক্ষক-শিক্ষার্থী পাবেন স্মার্ট কার্ড
নিয়মিত টেক নিউজ আপডেট মোবাইলে পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।
ভিজিট করুন 👉
━ ━ ━ ━ ━ ━ ━ ━
ডিজিটাল টাচ ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন ।ডিজিটাল টাচ সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুনঃ এই লিংকে।


