বিশ্ববাজারে সোনার দাম আবারও বড় লাফ দিয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রতি আউন্স সোনার দাম ০.৬৭ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ২০৯ দশমিক ৯৫ ডলারে পৌঁছেছে।
মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের প্রিয় মূল্যস্ফীতি সূচক কোর পিসিই প্রত্যাশার চেয়ে কম আসায় সোনার দাম বেড়েছে। আগস্ট মাসে কোর পিসিই ৩ দশমিক ০ শতাংশ বেড়েছে, যা ৩ দশমিক ৩ শতাংশের পূর্বাভাসের চেয়ে কম।
এর আগে গত সোমবার সোনার দাম প্রায় ৪ শতাংশ কমে সাত সপ্তাহের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল। এরপর ক্রেতারা ফিরে আসায় দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।
দাম বাড়ার পেছনে মূল কারণ
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে কম আসায় অক্টোবরে ফেডের সুদহার বৃদ্ধির সম্ভাবনা কিছুটা কমেছে। সাধারণত সুদহার কম হলে সোনার দাম বাড়ে।
এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং জ্বালানি তেলের দাম বেশি থাকায় বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদ হিসেবে সোনার দিকে ঝুঁকছেন।
মার্কিন ডলার সূচক সম্প্রতি কয়েক সপ্তাহের সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছিল। তবে কোর পিসিই তথ্য প্রকাশের পর ডলার ও ট্রেজারি ইল্ড দুটোই কমেছে। এতে সোনার দাম বাড়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ৪৩ লাখ কৃষক এ বছর কৃষক কার্ড পাবেন, ১ অক্টোবর পাইলট উদ্বোধন
ভবিষ্যতে কী হতে পারে
বিশ্লেষকরা বলছেন, আগামী শুক্রবার মার্কিন কর্মসংস্থান প্রতিবেদন প্রকাশ হবে। এই প্রতিবেদন ফেডের পরবর্তী সিদ্ধান্তের উপর প্রভাব ফেলবে।
বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে মূল্যবান ধাতুর দাম ৪২ শতাংশ বাড়তে পারে। এর মধ্যে সোনা ও রুপা অন্যতম।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে সোনার দাম সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৫৮৯ ডলারে পৌঁছেছিল। এরপর কিছুটা কমলেও এখনো বছরের শুরু থেকে ১১ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
দেশীয় বাজারে প্রভাব
আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম বাড়লে দেশীয় বাজারেও এর প্রভাব পড়ে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন নিয়মিত সোনার দাম সমন্বয় করে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা চলতে থাকলে সোনার দাম আরও বাড়তে পারে। তবে হঠাৎ বড় পতনের আশঙ্কাও রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ এক ওয়ানডেতে পাঁচ সেঞ্চুরির বিশ্ব রেকর্ড
নিয়মিত টেক নিউজ আপডেট মোবাইলে পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।
ভিজিট করুন 👉
━ ━ ━ ━ ━ ━ ━ ━
ডিজিটাল টাচ ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন ।ডিজিটাল টাচ সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুনঃ এই লিংকে।


