স্বশিক্ষা অর্জনে বই পড়ার গুরুত্ব | মানুষের জীবনে বইয়ের গুরুত্ব

প্রিয় পাঠকবৃন্দ স্বশিক্ষা অর্জনে বই পড়ার গুরুত্ব অনুচ্ছেদ টি পড়ার জন্য আপনারা অনেকেই গুগলের মাধ্যমে সার্চ করে থাকেন। মূলত প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় এসকল অনুচ্ছেদগুলো পরীক্ষার মাঝে বরাবরই দেখা যায়।

এছাড়াও প্রতিটি মানুষের জীবনে বইয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই অবশ্যই পড়তে হবে এবং বইয়ের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে হবে। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা বাস্তবিক অর্থে বইয়ের সুশিক্ষা এবং জ্ঞানার্জনে বইয়ের গুরুত্ব সম্পর্কে আপনাদের সাথে একটি অনুচ্ছেদ শেয়ার করব। 

আপনারা যারা আজকের এই আর্টিকেলের অনুচ্ছেদটি করতে এসেছেন তারা অবশ্যই আমাদের এই অনুচ্ছেদটি কপি করে নিতে পারবেন। 

স্বশিক্ষা অর্জনে বই পড়ার গুরুত্ব অনুচ্ছেদ

স্বশিক্ষা অর্জনে বই পড়ার গুরুত্ব অনুচ্ছেদ
স্বশিক্ষা অর্জনে বই পড়ার গুরুত্ব অনুচ্ছেদ

বইপড়া পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শখ। উৎকৃষ্ট বই গুলো প্রতিটি মানুষকে প্রকৃত আনন্দ এবং সুখ দান করে।

এভাবে গুলো পড়ার মাধ্যমে আমরা পুরানো যেসকল মহৎ মানুষ গুলো রয়েছে তাদের মত ভাব এবং সংস্পর্শ লাভ করে।

অতীত ঐতিহ্য, নানান চিন্তার অনুশীলন ও বিচিত্র ভাবধারার সাথে আমরা পরিচিত হই।

এইসকল নানান ধরনের বৈচিত্র্যময় বইয়ের মাধ্যমে মানুষ নিজেকে নিজে চিনতে পারে।

নিজেকে জানতে পারে এবং বিচিত্র ধরনের অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারে।

যেসকল অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে মানুষ নিজেদের ব্যক্তিজীবনকে এবং সামাজিক ও জাতীয় জীবনকে উন্নত সমৃদ্ধ করতে পারে।

বই পড়ার মাধ্যমে আমাদের মনের দিগন্ত উন্মোচিত এবং প্রসারিত হয়। আমরা মানুষ হিসেবে উদার এবং মহৎ হয়ে থাকি।

সামাজিক এবং যাবতীয় সকল ধরনের অন্ধ বিশ্বাস এবং কুসংস্কারকে ঝেড়ে ফেলে দিয়ে আমরা বিজ্ঞানসম্মত ও প্রগতিশীল হতে পারি শুধুমাত্র ভালো বইয়ের সংস্পর্শে এসে।

এই কারণেই পড়ার জন্য ভালো বই, আনন্দদায়ক বইগুলো অধিকতর অভাবে আমাদের বেছে নিতে হবে।

যদি ভয় জোগাড় করার মতো ব্যবস্থা না থাকে তাহলে নিজস্ব উদ্যোগে সবাই মিলে একটি পাঠাগার গড়ে তুলতে হবে।

যার কারণে সকলের মাঝে যেমন শিক্ষা ছড়িয়ে পড়বে তেমনি সাহিত্য-সংস্কৃতি ও  ছড়িয়ে পড়বে।

এছাড়াও দর্শন বিজ্ঞান থাকবে, থাকবে ইতিহাস বই, ভূগোল অর্থনীতি রাজনীতি নেতৃত্ব ও প্রত্যয়ের বই।

বিশেষভাবে আমাদের দেশ জাতি এবং জাতীয়তাবাদকে গভীরভাবে উপলব্ধি করবার জন্য রাজনৈতিক সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের বই থাকা অত্যাবশ্যকীয়।

বই পড়ার মাধ্যমে আমাদের মনে  ও জাগ্রত হবে মানবিক চেতনা, দেশ প্রেম , মহৎ জীবন ভাবনা সত্য সুন্দর সাধনা সময় অনুশীল ও অধ্যাবসায়ের সুদৃঢ় মানসিকতা।

তাই স্বশিক্ষা অর্জনে বা নিজেকে নিজে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত করতে বই পড়ার গুরুত্ব অপরিসীম।

বই আমাদেরকে শোকে সান্ত্বনা, দুঃখে দুঃখজয়ের ব্রত ও পরাজয়ে বা ব্যর্থতায় সহিষ্ণুতার দ্বীক্ষা দেয়। নির্মল আনন্দ লাভের জন্য বইয়ের বিকল্প নেই।

তাই তো ভিনসেল্ট স্টারেট বলেছেন – When we buy a book we buy pleasure.

আরও পড়ুনঃ

ট্রয় নগরী কোথায় অবস্থিত?

মুক্তিযুদ্ধের ৪ টি প্রয়োজনীয়তা

নায়াগ্রা জলপ্রপাত কোথায় অবস্থিত?

অনুচ্ছেদ স্বশিক্ষা অর্জনে বই পড়ার গুরুত্ব

আমরা উপরে যেই অনুচ্ছেদটি আপনাদের প্রধান করেছি সেই অনুচ্ছেদ ব্যতীত আপনারা আরও একটি অনুচ্ছেদ এ বিষয়ে লিখতে পারেন।

এখন আমরা সেই অনুচ্ছেদ টি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করব।

অনুচ্ছেদঃ মানুষের জ্ঞান বিজ্ঞান, শিল্প সাহিত্য সাধনার মৌন সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে বিশ্বের অজস্র বই।

এই সকল বই গুলোর মধ্য দিয়ে মানুষ লাভ করেছে আপন অন্তর তর সততার পরিচয়।

কখনো যদি বইকে সঙ্গে করা যায় তাহলে মানুষের হৃদয়ের এবং মনের অনেক অভাব ঘুচে যায়।

সুতরাং বর্তমান সময়ের আধুনিক জগতকে উপলব্ধি করার জন্য সভ্য মানুষের বইয়ের অবারিত সঙ্গী না হলে চলে না।

আবার একই বইয়ের পথ ধরে মানুষ অগ্রসর হয়ে চলে যায় সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিবর্তনের পথে।

পৃথিবীর ইতিহাস-ঐতিহ্যের অন্যতম অবলম্বন বই।

বইয়ের মাধ্যমে আমরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, জাতি, ভাষা সম্বন্ধে জ্ঞান লাভ করি।

বই মানুষকে পৃথিবীতে হাজার বছর পথচলার অনুভূতি দিতে পারে।

আবার বইয়ের মধ্য দিয়েই কোনো কবি, সাহিত্যিক বা লেখক মৃত্যুর পরও বেঁচে থাকতে পারেন হাজার বছর।

তাই বই পড়া মানুষকে আনন্দ দানের পাশাপাশি দিতে পারে সঠিক সফলতার ছোঁয়াও।

বই মানুষের হৃদয়ের দ্বার খুলে দেয়, চিন্তার জগৎকে প্রসারিত করে। আমাদের মননশক্তি ও হৃদয়বৃত্তিকে সম্পূর্ণভাবে জাগ্রত করতে পারি বই পাঠের মাধ্যমেই।

তাই স্বশিক্ষা অর্জনে বই পড়ার অভ্যাস গঠন করা অবশ্যই উচিত।

বইয়ে জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিল্প-সাহিত্যের স্রোতধারা একত্র হয়।

সেই ধারার সাথে মিললেই মানুষের আত্মপ্রসার ঘটে।

তাই আমরা অধিক পরিমাণে বইপাঠে আগ্রহী হব যা দিতে পারে এক সুন্দর ভবিষ্যৎ।

আরও পড়ুনঃ

নিঝুম দ্বীপ কোথায় অবস্থিত?

সোমপুর বিহার কোথায় অবস্থিত?

বাংলাদেশের কয়েকটি প্রাচীন নগর সভ্যতার নাম

স্বশিক্ষা অর্জনে বই পড়ার গুরুত্ব FAQS

স্বশিক্ষা অর্জনে বই পড়ার গুরুত্ব কি?

আমাদের প্রতিটি মানুষের জীবনে বইয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। স্বশিক্ষা অর্জনে বইয়ের মত অন্য কিছুই আপনাকে স্বাবলম্বী করতে পারবে না।

উপসংহার 

সুপ্রিয় পাঠকবৃন্দ স্বশিক্ষা অর্জনে বই পড়ার গুরুত্ব সম্পর্কে আপনারা অনেকেই জানতে চেয়েছেন।

আজকের এই আর্টিকেলে আপনাদেরকে এই সম্পর্কে দুইটি অনুচ্ছেদ প্রদান করা হয়েছে।

আশা করছি আজকের এই আর্টিকেলটি আপনাদের খুবই ভালো লেগেছে এবং আজকের এই আর্টিকেল থেকে আপনারা অনুচ্ছেদ গুলো পড়বেন।

আপনাদের যদি এই সম্পর্কিত আরো কিছু জানার থাকে অথবা আমাদেরকে কোন প্রশ্ন করব থাকে তাহলে সরাসরি কমেন্টের মাধ্যমে করতে পারেন।

এমন অনেকেই রয়েছে যারা অনলাইন থেকে ঘরে বসে টাকা আয় করার কথা ভাবছেন।

কেন্দ্র কিভাবে কাজ শুরু করবেন সেই সংক্রান্ত ধারণা আপনাদের নেই।

আপনারা অবশ্যই ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইটে কেননা আমাদের ওয়েবসাইটে রয়েছে অনলাইন থেকে আয় সংক্রান্ত সকল গাইডলাইন সহকারে আর্টিকেল।

অবশ্যই আমাদের ওয়েবসাইটে চলে যান এবং সবসময় আপডেট পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেইজে

Leave a Comment

sixteen − five =