মোবাইল সিম কতদিন রিচার্জ না করলে বন্ধ হয়ে যায়, তা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, একটি সিম টানা ১৫ মাস বা ৪৫০ দিন অব্যবহৃত থাকলে সেটি নিষ্ক্রিয় হিসেবে গণ্য হয়। এরপর আরও ৩০ দিনের নোটিশ পিরিয়ড শেষে অপারেটর সিমটি রিসাইকেল করতে পারে।
অর্থাৎ, সব মিলিয়ে প্রায় ১৬ মাস বা ৪৮০ দিন পর সিমটি সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। এর আগে যদি গ্রাহক সিমটি সচল করতে চান, তাহলে বিটিআরসির নির্ধারিত ফি দিয়ে মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।
সিম সচল রাখতে কী করতে হবে
অব্যবহৃত সিম সচল রাখতে গ্রাহক চাইলে ৩০০ টাকা ফি দিয়ে সিমটির মেয়াদ আরও ২ বছর পর্যন্ত বাড়িয়ে রাখতে পারেন। আবার ৪৭৫ টাকা ফি দিয়ে ৩ বছর পর্যন্ত মালিকানা ধরে রাখা যায়। তবে এই ফি দেওয়ার পরেও যদি নির্দিষ্ট সময়ে সিমটি রিচার্জ না করা হয়, তাহলে সেটি রিসাইকেল হতে পারে।
গ্রাহকরা তাদের সিমের মেয়াদ সম্পর্কে জানতে পারবেন অপারেটরের অফিসিয়াল অ্যাপ বা ওয়েবসাইট থেকে। এছাড়া কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে যোগাযোগ করেও তথ্য জানা যায়।
গ্রামীণফোনের সিম কখন বন্ধ হয়
গ্রামীণফোনের ক্ষেত্রে রিচার্জের পরিমাণ অনুযায়ী সিমের মেয়াদ নির্ধারিত হয়। ২০ থেকে ১৪৯ টাকা রিচার্জ করলে মেয়াদ ৩০ দিন, ১৫০ থেকে ২৯৯ টাকা রিচার্জ করলে ৬০ দিন এবং ৩০০ টাকা বা তার বেশি রিচার্জ করলে মেয়াদ ৩৬৫ দিন বা ১ বছর।
এই মেয়াদ শেষ হওয়ার পর গ্রামীণফোন সিমটি ৬০ দিনের জন্য সাসপেন্ড করতে পারে। এই সময়ে গ্রাহক শুধু ইনকামিং কল ও এসএমএস পাবেন। এরপরও রিচার্জ না করলে সব সেবা বন্ধ হয়ে যায়। তবে ১২ মাসের মধ্যে রিচার্জ করলে নম্বরটি ফিরে পাওয়া যেতে পারে।
আরও পড়ুনঃ কমলো টেলিটক সিম রিপ্লেসমেন্ট খরচ
রবি, বাংলালিংক ও টেলিটকের নিয়ম
রবি আজিয়াটার ক্ষেত্রে রিচার্জের পরিমাণ অনুযায়ী মেয়াদ নির্ধারিত হয়। সাধারণত ৩০ থেকে ৩৬৫ দিন পর্যন্ত মেয়াদ পাওয়া যায়। মেয়াদ শেষে সিম সাসপেন্ড হয় এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রিচার্জ না করলে নম্বরটি রিসাইকেল হয়।
বাংলালিংকের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। ৩০০ টাকা বা তার বেশি রিচার্জ করলে মেয়াদ ১ বছর পর্যন্ত বাড়ানো যায়। টেলিটকের সিমের মেয়াদও রিচার্জের পরিমাণের উপর নির্ভর করে।
আরও পড়ুনঃ টেলিটকের দুর্দান্ত অফার, চলমান সব প্যাকেজের সিম মাত্র ৫০ টাকায়
সিম রিসাইকেল হলে কী হয়
সিম রিসাইকেল হলে সেই নম্বরটি অন্য একজন গ্রাহককে দেওয়া হয়। তখন আগের গ্রাহকের কোনো তথ্য বা ব্যালেন্স নতুন গ্রাহক পান না। তবে আগের গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে থাকা ব্যালেন্স বাতিল হয়ে যায়।
এ কারণে অনেকেই সিমের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে রিচার্জ করে রাখেন। বিশেষ করে যারা বিদেশে থাকেন বা কম ব্যবহার করেন, তাদের জন্য এই নিয়ম জানা জরুরি।
আরও পড়ুনঃ স্টারলিংকের প্রযুক্তিতে প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্যাটেলাইট মোবাইল সেবা চালুর অনুমোদন পেল বাংলালিংক
নিয়মিত টেক নিউজ আপডেট মোবাইলে পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।
ভিজিট করুন 👉
━ ━ ━ ━ ━ ━ ━ ━
ডিজিটাল টাচ ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন ।ডিজিটাল টাচ সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুনঃ এই লিংকে।


