ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশে (টিসিবি) ডিজিটাল রূপান্তর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে সহজে পণ্য বিক্রি ও ডিলার নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।
সম্প্রতি রাজধানীর কারওয়ান বাজারে টিসিবি অডিটোরিয়ামে এই ডিজিটাল রূপান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
ডিজিটাল রূপান্তরে কী কী সুবিধা
টিসিবি জানিয়েছে, ডিজিটাল রূপান্তরের ফলে উপকারভোগীরা প্রচলিত কার্ডের পাশাপাশি নিরাপদ ডিজিটাল মাধ্যমেও সেবা নিতে পারবেন।
ডিজিটালি স্বাক্ষরিত ও এনক্রিপ্টেড কিউআর কোডের মাধ্যমে উপকারভোগীর পরিচয় ও পণ্য পাওয়ার যোগ্যতা যাচাই করা হবে। এর ফলে কার্ড হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হলেও প্রকৃত উপকারভোগী নির্ধারিত পণ্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবেন না।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘টিসিবির ডিজিটাল রূপান্তরের মাধ্যমে উপকারভোগীর সুবিধা, সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।’
ভর্তুকি সাশ্রয়ের লক্ষ্য
চলতি অর্থবছরে টিসিবির বিভিন্ন উদ্যোগ ও ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনের কারণে গত বছরের তুলনায় ৩০০ থেকে ৩৫০ কোটি টাকা ভর্তুকি সাশ্রয় হতে পারে।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এই ভর্তুকি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হবে।
অযোগ্য উপকারভোগী বাদ
জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে প্রায় ৫৯ লাখ অযোগ্য উপকারভোগীকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে টিসিবির তালিকায় ৮৯ লাখ উপকারভোগী রয়েছেন।
ডিলার নিয়োগে ডিজিটাল ব্যবস্থা
অনলাইন ডিলার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে ডিলার আবেদন, তথ্য সংরক্ষণ ও নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কোনো এলাকায় ১০ জন ডিলার আবেদন করলেও সেখানে যদি দেড় হাজার উপকারভোগী থাকেন তাহলে ওই দেড় হাজারের জন্য একজনই ডিলার নির্ধারিত হবেন।
আরও পড়ুনঃ
নিয়মিত টেক নিউজ আপডেট মোবাইলে পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।
ভিজিট করুন 👉
━ ━ ━ ━ ━ ━ ━ ━
ডিজিটাল টাচ ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন ।ডিজিটাল টাচ সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুনঃ এই লিংকে।


