বাংলাদেশের নদী ছেড়ে ইলিশ নতুন ঠিকানা খুঁজে নিয়েছে

বাংলাদেশের নদী ছেড়ে ইলিশ নতুন ঠিকানা খুঁজে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য গবেষকরা। জলবায়ু পরিবর্তন ও নদীর পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় ইলিশের চলাচলের পথ বদলে যাচ্ছে।

সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা নদীতে ইলিশের বিচরণ কমেছে। এর বদলে কিছু ইলিশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও মিয়ানমার উপকূলীয় এলাকায় চলে যাচ্ছে।

কেন ইলিশ নতুন ঠিকানা খুঁজছে

গবেষকদের মতে, নদীর পানির প্রবাহ কমে যাওয়া ইলিশের প্রজনন ও বিচরণে প্রভাব ফেলছে। পানির লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়াও একটি কারণ।

এছাড়া নদীতে বালু উত্তোলন, দূষণ এবং বাঁধ নির্মাণের কারণে ইলিশের প্রাকৃতিক আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই পরিবর্তনের কারণে ইলিশের প্রজনন ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আসছে।

কোথায় যাচ্ছে ইলিশ

গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদীগুলো থেকে ইলিশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় এলাকায় যাচ্ছে। এছাড়া মিয়ানমারের উপকূলীয় এলাকায়ও ইলিশের বিচরণ বেড়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিবর্তন বাংলাদেশের ইলিশ উৎপাদনে প্রভাব ফেলতে পারে।

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now

ইলিশ উৎপাদনে প্রভাব

বাংলাদেশ বিশ্বের মোট ইলিশ উৎপাদনের প্রায় ৮০ শতাংশ উৎপাদন করে। ইলিশ দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মৎস্যসম্পদ।

ইলিশের বিচরণ কমলে উৎপাদনও কমবে। এতে দাম বাড়বে এবং সাধারণ মানুষ ইলিশ কিনতে পারবেন না।

সরকারের পদক্ষেপ

মৎস্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ইলিশ রক্ষায় একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা এবং জাটকা ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা। এছাড়া নদীতে ইলিশের প্রজনন ক্ষেত্র সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

গবেষকরা বলছেন, ইলিশ রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। নদীর পানির প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে হবে এবং দূষণ কমাতে হবে।

আরও পড়ুনঃ

নিয়মিত টেক নিউজ আপডেট মোবাইলে পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

WhatsApp Group Join Now
ALL SIM Offer Update Group Join Now
Telegram Group Join Now
আপনি কি কমদামে মিনিট, ইন্টারনেট ও বান্ডেল অফার খুঁজছেন!

ভিজিট করুন 👉

━ ━ ━ ━ ━ ━ ━ ━

ডিজিটাল টাচ
ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন ।
ডিজিটাল টাচ সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুনঃ এই লিংকে।
Sharing Is Caring:

আমি শেখ মোঃ আমিনুল ইসলাম (সুজন)। ডিজিটাল টাচ ডটকম এর প্রতিষ্ঠাতা ও লেখক। এইচএসসি (বিজ্ঞান); চাঁদপুর সরকারি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়।

Leave a Comment