রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মোবাইল অপারেটর টেলিটক বিপুল পরিমাণ বকেয়া ও অবকাঠামোগত দুর্বলতায় ধুঁকছে। প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক অবস্থা দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে।
টেলিটক সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার বকেয়া রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও গ্রাহকদের বকেয়া রয়েছে।
এছাড়া নেটওয়ার্কের সীমিত বিস্তার এবং পুরনো যন্ত্রপাতির কারণে সেবার মানও কমছে। এতে গ্রাহক সংখ্যা কমছে।
বকেয়ার কারণ
টেলিটকের বকেয়ার বড় অংশ সরকারি প্রতিষ্ঠানের। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ টেলিটকের সেবা ব্যবহার করলেও সময়মতো বিল পরিশোধ করছে না।
এছাড়া কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও গ্রাহকও বকেয়া রাখছে। বকেয়া আদায়ে টেলিটক এখনো তেমন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি।
বকেয়ার কারণে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক সঙ্কট তৈরি হয়েছে। নতুন বিনিয়োগও ব্যাহত হচ্ছে।
অবকাঠামোগত দুর্বলতা
টেলিটকের নেটওয়ার্ক মূলত ৩জি ও ৪জি সেবার ওপর নির্ভরশীল। তবে নেটওয়ার্কের বিস্তার সীমিত। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় নেটওয়ার্ক দুর্বল।
অনেক জায়গায় পুরনো যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে কল ড্রপ ও ইন্টারনেটের গতি কম। এতে গ্রাহকরা সন্তুষ্ট নন।
নতুন প্রযুক্তি সংযোজনে বিনিয়োগের অভাবও রয়েছে।
গ্রাহক সংখ্যা কমছে
বিটিআরসির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাস শেষে টেলিটকের গ্রাহক সংখ্যা ৬৮ লাখ। গত বছরের একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ৭০ লাখের বেশি।
গ্রাহক সংখ্যা কমার ফলে প্রতিষ্ঠানটির আয়ও কমছে। এতে আর্থিক সঙ্কট আরও বাড়ছে।
সমাধানের পথ
টেলিটক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বকেয়া আদায়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর বকেয়া আদায়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে নতুন বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে বকেয়া আদায় না হলে বিনিয়োগ করা সম্ভব হবে না।
বিশেষজ্ঞদের মত
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টেলিটককে বাঁচাতে হলে বকেয়া আদায়ের পাশাপাশি নতুন বিনিয়োগ আনতে হবে। নেটওয়ার্কের মান উন্নয়ন করতে হবে।
অন্যথায় বাজারে টিকে থাকা কঠিন হবে।
আরও পড়ুনঃ
নিয়মিত টেক নিউজ আপডেট মোবাইলে পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।
ভিজিট করুন 👉
━ ━ ━ ━ ━ ━ ━ ━
ডিজিটাল টাচ ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন ।ডিজিটাল টাচ সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুনঃ এই লিংকে।


