বাংলাদেশের জাতীয় দিবস কোনটি এ বিষয়টি জানার জন্য আপনারা অনেকেই নানান ভাবে আগ্রহ প্রকাশ করে থাকেন। আবার অনেকের বাংলাদেশের নানান দিবস থাকায় মনে রাখা কষ্টকর হয়ে যায় যে জাতীয় দিবস কোনটি।
তাই আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা আপনাদের সামনে বাংলাদেশের জাতীয় দিবস কোনটি সে বিষয়ে সম্পূর্ণ বিস্তারিত করব। এবং বাংলাদেশ কিভাবে একটি স্বাধীন দেশে পরিণত হল সে বিষয়েও আপনাদের সাথে সম্পূর্ণ বিস্তারিত আলোচনা করব। আশা করছি আজকের এই আর্টিকেলটি আপনাদের ভালো লাগবে।
অনেক কষ্ট এবং সাধনার পর বাংলাদেশে বর্তমানে একটি স্বাধীন এবং সার্বভৌম দেশ হিসেবে পৃথিবীর বুকে স্থাপিত হয়েছে। বাংলাদেশ নিজেদের সামর্থ্য জানান দিয়ে বর্তমানে একটি উন্নয়নশীল দেশ। এ দেশটি এতো সহজেই এতদূর আসেনি। বহু ত্যাগ এবং একজন শতবছরের নেতার হাত ধরে আজকের এই বাংলা।
বাংলাদেশের জাতীয় দিবস কত তারিখে – বাংলাদেশের জাতীয় দিবস কোনটি

এই সোনার বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ পালিত হয় বাংলাদেশের জাতীয় দিবস। ১৯৭১ সালে ২৫ মাঝরাতে অর্থাৎ কাল রাতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের
সর্বস্তরের জনগণ অনেক ভাবে নিজেদের স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম শুরু করেন।
সেদিন রাতে বাঙালির হাজার বছরের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এক তারবার্তায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তখন তাকে এই ঘোষণার পরপরই গ্রেফতার করা হয়েছিল।
বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা
২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর পক্ষ হতে এম এ হান্নান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের সকল জনসাধারণের উদ্দেশ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার জন্য ঘোষণাপত্র পাঠ করেছিলেন।
পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান একই কেন্দ্র হতে ২৭মার্চ আর ঘোষণাপত্রটি পাঠ করেন।
পরবর্তীতে বাংলাদেশ একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় সেখানে এই দিনটিকে বাংলাদেশের জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়।
এবং সরকারিভাবে এই দিনটিতে ছুটি ঘোষণা করে দেয়া হয়। এ প্রজ্ঞাপনটি জারি করা হয়েছিল ১৯৭২ সালের ২২ জানুয়ারি।
এতক্ষণে আপনি নিশ্চয়ই পরিষ্কারভাবে বুঝতে পেরেছেন আমাদের জাতীয় দিবস কোনটি। জাতীয় দিবস সম্পর্কে আরো জানতে আপনি বাংলাদেশের ইতিহাস সম্পর্কিত বইগুলি পড়তে পারেন।
কেননা শুধুমাত্র একটি প্রশ্নের উত্তর জেনে আপনি আপনার দেশ সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানতে পারবেন না কখনোই।
আরও পড়ুনঃ
১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ব্যানার
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন।
গ্রেপ্তার হওয়ার কিছুক্ষণ আগে ২৫ মার্চ রাত বারোটার পর অর্থাৎ ২৬ শে মার্চের প্রথম প্রহরে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন যা চট্টগ্রামে অবস্থিত তৎকালীন ই.পি.আর এর ট্রান্সমিটারে করে প্রচার করার জন্য পাঠানো হয়।
ঘোষণাটি নিম্নরুপ:
এটাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন।
আমি বাংলাদেশের মানুষকে আহ্বান জানাই, আপনারা যেখানেই থাকুন, আপনাদের সর্বস্ব দিয়ে দখলদার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত প্রতিরোধ চালিয়ে যান।
আমাদের বাংলাদেশের মাটি থেকে সর্বশেষ পাকিস্তানি সৈন্যটিকে উত্খাত করা এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের আগ পর্যন্ত আপনাদের যুদ্ধ অব্যাহত থাকুক।
আরও পড়ুনঃ
বাংলাদেশের জাতীয় দিবস কোনটি FAQS
জাতীয় দিবস হিসেবে বাংলাদেশে ২৬ শে মার্চে পালন করা হয়।
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।
বাংলাদেশের জাতীয় দিবস হলো ২৬ শে মার্চ।
উপসংহার
প্রিয় পাঠকগণ আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনারা বাংলাদেশের জাতীয় দিবস কোনটি সে সম্পর্কে আপনাদের জানানো হয়েছে।
আপনার আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে বাংলাদেশের জাতীয় দিবস কোনটি সে সম্পর্কে বিস্তারিত জেনেছেন।
আশা করছি আর্টিকেলটি আপনাদের উপকারে আসবে। বাংলাদেশ একটি সার্বভৌম দেশ হিসেবে পরিচিতি পাবার জন্য বহু নির্যাতন সহ্য করেছে।
অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম এবং নানান ধরণের শিক্ষামূলক আর্টিকেলগুলো পেতে আমাদের ওয়েব সাইটটি ভিজিট করুন।
আমাদের ওয়েবসাইট সম্পর্কিত সকল আপডেট পেতে ফলো করুন আমাদের ফেসবুক পেইজে।
ধন্যবাদ।
ভিজিট করুন 👉
━ ━ ━ ━ ━ ━ ━ ━
ডিজিটাল টাচ ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন ।ডিজিটাল টাচ সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুনঃ এই লিংকে।


