সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ব্যয় নির্বাহের জন্য নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এখন থেকে নির্ধারিত হারে পরীক্ষার ফি আদায় করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন।
শিক্ষা কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা এবং পরীক্ষার খরচ মেটানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
Content Summary
কেন পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করা হচ্ছে
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব জানিয়েছেন, বিদ্যালয়গুলোতে পরীক্ষা আয়োজনের জন্য যে ব্যয় হয়, তা অনেক ক্ষেত্রে বিদ্যমান বরাদ্দ দিয়ে মেটানো সম্ভব হয় না। ফলে শিক্ষকদের ব্যক্তিগতভাবে অর্থ ব্যয় করতে হয়।
এই সমস্যা সমাধানে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত সীমার মধ্যে পরীক্ষার ফি গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা পরিচালনার প্রয়োজনীয় খরচ সহজেই নির্বাহ করতে পারবে।
কোন শ্রেণিতে কত ফি দিতে হবে
বর্তমানে ফি নির্ধারণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও কোন শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কত টাকা ফি দিতে হবে, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়নি।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, খুব শিগগিরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা জারি করা হবে। তখন শ্রেণিভিত্তিক ফি কাঠামো এবং আদায়ের পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
আরও পড়ুনঃ টিসিবি ডিলার নিয়োগে নতুন নিয়ম, বাড়ল জামানত ও কড়াকড়ি
শিক্ষকদের আর ব্যক্তিগত খরচ করতে হবে না
বর্তমানে অনেক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা পরিচালনার জন্য প্রধান শিক্ষকের স্লিপ বরাদ্দ যথেষ্ট না হওয়ায় অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে হয় শিক্ষকদের।
নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে শিক্ষকদের ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয়ের প্রয়োজন কমে আসবে। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও সহজ ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সম্মেলনে যা বললেন সচিব
বাংলাদেশ গার্ল গাইডস অ্যাসোসিয়েশনের জাতীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সচিব এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, শিক্ষকদের আর্থিক চাপ কমানো এবং বিদ্যালয়ের পরীক্ষার ব্যয় সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে ফি আদায় করা হবে এবং বিষয়টি পর্যবেক্ষণের আওতায় থাকবে।
আরও পড়ুনঃ ব্রাজিল বনাম মরক্কো হেড টু হেড পরিসংখ্যান, কারা এগিয়ে
শিক্ষাখাতে নতুন উদ্যোগের গুরুত্ব
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পরীক্ষার ব্যয় নির্বাহের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা থাকলে বিদ্যালয়গুলো আরও দক্ষতার সঙ্গে মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।
তবে অভিভাবকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি না করে যৌক্তিক ও সহনীয় হারে ফি নির্ধারণ করা হবে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।
উপসংহার
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষার ব্যয় মেটাতে পরীক্ষার ফি নির্ধারণের সিদ্ধান্ত শিক্ষা খাতে নতুন একটি উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এর ফলে বিদ্যালয়গুলোতে পরীক্ষা আয়োজন সহজ হবে এবং শিক্ষকদের ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয়ের প্রয়োজন কমবে। এখন সবার অপেক্ষা শ্রেণিভিত্তিক ফি কাঠামো ও বিস্তারিত নির্দেশনার জন্য।
আরও পড়ুনঃ বিশ্বকাপে টেলিটকের বিশেষ অফার, ১৯ টাকায় আনলিমিটেড ইন্টারনেট
এছাড়াও টেক নিউজ আপডেট নিয়মিত আপনার মোবাইলে পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।
তথ্যসুত্রঃ আরটিভি অনলাইন
ভিজিট করুন 👉
━ ━ ━ ━ ━ ━ ━ ━
ডিজিটাল টাচ ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন ।ডিজিটাল টাচ সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুনঃ এই লিংকে।


