দেশের বেকারত্ব দূর করতে কারিগরি শিক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সরকারের অগ্রাধিকার।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের মধ্যে বেকারত্বের হার প্রায় ২৯ শতাংশ। এছাড়া উচ্চশিক্ষিত কর্মীদের প্রায় অর্ধেক এমন কাজে নিয়োজিত, যেখানে তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতার পূর্ণ ব্যবহার হচ্ছে না।
কারিগরি শিক্ষার বর্তমান অবস্থা
সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার সম্প্রসারণে একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশে কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার প্রায় ১৯ শতাংশে পৌঁছেছে। সরকারের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে এই হার ৩০ শতাংশে উন্নীত করা।
এ লক্ষ্যে সব উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ (TSC) স্থাপন এবং জেলা পর্যায়ে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি বিভাগে অন্তত একটি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ চলছে।
দক্ষতা উন্নয়নে চ্যালেঞ্জ
তবে কারিগরি শিক্ষা খাতে শিক্ষক সংকট এবং অবকাঠামোগত দুর্বলতা এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি ও বেসরকারি কারিগরি প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১৫ হাজার অনুমোদিত শিক্ষক পদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি শূন্য।
এছাড়া কারিকুলাম ও বাজার চাহিদার মধ্যে সমন্বয়ের অভাবও রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু সনদ নয়, ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের ওপর জোর দিতে হবে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
সরকার কারিগরি শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক ল্যাব স্থাপনে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে। পাশাপাশি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক জোরদার করে প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো হবে।
আরও পড়ুনঃ
নিয়মিত টেক নিউজ আপডেট মোবাইলে পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।
ভিজিট করুন 👉
━ ━ ━ ━ ━ ━ ━ ━
ডিজিটাল টাচ ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন ।ডিজিটাল টাচ সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুনঃ এই লিংকে।


