ইতালি ২০২৭ সালে ‘ডিক্রেতো ফ্লুসি’ কর্মসূচির আওতায় মোট ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫০ জন বিদেশি কর্মী নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এই তালিকায় বাংলাদেশসহ মোট ৩৭টি দেশের নাগরিকরা আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
ইতালির স্বরাষ্ট্র, শ্রম ও সামাজিক নীতি, কৃষি এবং পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যৌথ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই কোটা তিনটি প্রধান খাতে বিভক্ত। এর মধ্যে অমৌসুমি কাজের জন্য ৭৬ হাজার ২০০টি, মৌসুমি কাজের জন্য ৮৯ হাজার এবং স্বনিয়োজিত কাজের জন্য ৬৫০টি স্থান রাখা হয়েছে।
কোন খাতে কত কোটা
অমৌসুমি কোটা ৭৬ হাজার ২০০-এর মধ্যে ১৪ হাজার স্থান reserved রয়েছে পারিবারিক পরিচর্যা বা কেয়ারগিভিং কাজের জন্য। মৌসুমি ৮৯ হাজার কোটা মূলত কৃষি ও পর্যটন খাতের জন্য নির্ধারিত।
বাংলাদেশ ছাড়াও আলবেনিয়া, আলজেরিয়া, মিশর, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইনসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা এই কর্মসূচির আওতায় আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের সময়সূচি ও প্রক্রিয়া
আবেদন প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ ‘প্রিকম্পাইলেশন’ শুরু হবে ২৩ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ৯টা থেকে এবং চলবে ৭ ডিসেম্বর ২০২৬ রাত ৮টা পর্যন্ত। এই সময়ে ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘পোর্টালে সার্ভিজি আলি’ প্ল্যাটফর্মে আবেদনপত্র প্রস্তুত করা যাবে।
এরপর চারটি নির্ধারিত ‘ক্লিক ডে’-তে আবেদন জমা দিতে হবে। খাতভেদে এই তারিখগুলো হলো: মৌসুমি কৃষি কাজের জন্য ১২ জানুয়ারি ২০২৭, মৌসুমি পর্যটন কাজের জন্য ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৭, অমৌসুমি কাজের জন্য ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ এবং পারিবারিক পরিচর্যা কাজের জন্য ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭।
বাংলাদেশিরা কীভাবে আবেদন করবেন
এই প্রক্রিয়ায় বিদেশি কর্মী সরাসরি নিজে আবেদন করতে পারেন না। প্রথমে ইতালিতে অবস্থানরত একজন নিয়োগকর্তাকে কাজের অনুমতিপত্র বা ‘নুল্লা ওস্তা’ এর জন্য আবেদন করতে হবে।
নিয়োগকর্তা অনুমোদন পাওয়ার পর সেই অনুমতিপত্র কর্মীর নিজ দেশে অবস্থিত ইতালীয় দূতাবাস বা কনস্যুলেটে পাঠানো হবে। এরপর কর্মী ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
বাংলাদেশ থেকে আবেদনকারীদের ইতালিতে নির্ভরযোগ্য নিয়োগকর্তা খুঁজে বের করতে হবে অথবা ইতালিতে থাকা আত্মীয়দের মাধ্যমে নিয়োগকর্তার কাগজপত্র যাচাই করতে হবে। অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা দালালের প্রলোভনে না পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
ইতালিতে বাংলাদেশি কর্মীদের চাহিদা
ইতালিতে বর্তমানে প্রায় আড়াই লাখ বাংলাদেশি বসবাস করেন এবং তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
ইতালিতে বাংলাদেশি কর্মীরা প্রধানত নির্মাণ, জাহাজ নির্মাণ এবং আতিথেয়তা খাতে কাজ করেন। ইতালি সরকার বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহী।
ইতালিতে বাংলাদেশি কর্মীদের সুবিধার জন্য ইতালীয় ভাষা, নাগরিক সংস্কৃতি ও কারিগরি দক্ষতার বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ
নিয়মিত টেক নিউজ আপডেট মোবাইলে পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।
ভিজিট করুন 👉
━ ━ ━ ━ ━ ━ ━ ━
ডিজিটাল টাচ ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন ।ডিজিটাল টাচ সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুনঃ এই লিংকে।


