এলপিজির দাম পুনর্নির্ধারণে ১ নভেম্বরের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। গণশুনানিতে অংশ নেওয়া স্টেকহোল্ডারদের লিখিত মতামত জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১ নভেম্বর। এরপর সব পক্ষের মতামত ও কারিগরি কমিটির সুপারিশ পর্যালোচনা করে দাম নির্ধারণ করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশনে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিবিধান, আবেদনকারীদের প্রস্তাব, কারিগরি মূল্যায়ন দলের প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হবে।
কারিগরি কমিটির সুপারিশ
গণশুনানিতে বিইআরসির কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৩৯ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৯৭৬ টাকা করার সুপারিশ করেছে। বর্তমানে এই সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা।
কমিটি অটোগ্যাসের দামও প্রতি লিটারে ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯৩ টাকা ৮৮ পয়সা করার প্রস্তাব করেছে। এছাড়া স্টোরেজ ও বোতলজাতকরণ চার্জ, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন বাড়ানোর সুপারিশও করা হয়েছে।
কারিগরি কমিটির চেয়ারম্যান মো. দিদারুল আলম বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজি সংগ্রহের উৎসে পরিবর্তন আসায় আমদানিকারকদের পরিবহন খরচ বেড়েছে। মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বদলে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়ায় জাহাজ চলাচলের পথ দীর্ঘ হয়েছে।
ব্যবসায়ীদের দাবি
গণশুনানিতে আমদানিকারক, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতারা তাদের কমিশন বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। ওমেরা ৪৭৮ টাকা, পেট্রোম্যাক্স ৩৪৯ টাকা, ডেল্টা ৩৬০ টাকা এবং মেঘনা গ্রুপ ৩০০ টাকা কমিশন প্রস্তাব করেছে।
পরিবেশকরা কমিশন ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫০ টাকা এবং খুচরা বিক্রেতারা ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ টাকা করার দাবি জানিয়েছেন।
তবে ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রথমে বিইআরসি নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি নিশ্চিত করতে হবে। বাজার অস্থিরতার সুযোগে কৃত্রিম সংকট তৈরি ও বেশি দাম আদায়ের অভিযোগ investigating করা প্রয়োজন।
আরও পড়ুনঃ
নিয়মিত টেক নিউজ আপডেট মোবাইলে পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।
ভিজিট করুন 👉
━ ━ ━ ━ ━ ━ ━ ━
ডিজিটাল টাচ ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন ।ডিজিটাল টাচ সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুনঃ এই লিংকে।


