একটি জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি দিয়ে সর্বোচ্চ পাঁচটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিবন্ধন করা যাবে। নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, শুধুমাত্র সিটি করপোরেশন এলাকার বাসিন্দারা এই সুযোগ পাবেন।
নিবন্ধনের জন্য আবেদনকারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে এবং তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। একটি এনআইডির বিপরীতে এক বা একাধিক সিটি করপোরেশন থেকে সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশা নিবন্ধন করা যাবে। তবে এক সিটি করপোরেশনে নিবন্ধিত রিকশা অন্য সিটি করপোরেশন এলাকায় বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে চালানো যাবে না।
নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
আবেদনের সময় জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি, পাসপোর্ট সাইজের দুই কপি ছবি, ফি জমার রসিদ এবং নির্ধারিত ফিটনেস সনদ জমা দিতে হবে।
নিবন্ধনের ফি রিকশার যাত্রী ধারণক্ষমতার উপর নির্ভর করে। দুই যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার এককালীন নিবন্ধন ফি ৮ হাজার টাকা এবং বার্ষিক নবায়ন ফি ৪ হাজার টাকা। চার যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার এককালীন নিবন্ধন ফি ১০ হাজার টাকা এবং বার্ষিক নবায়ন ফি ৫ হাজার টাকা। ফিটনেস সনদের জন্য ১ হাজার টাকা ফি দিতে হবে।
আবেদন প্রক্রিয়া
নিবন্ধনের জন্য সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। আবেদন পাওয়ার পর কর্তৃপক্ষ ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে যাচাই-বাছাই করে নিবন্ধন দেবে। আবেদন নাকচ হলে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে কারণ জানানো হবে।
নিবন্ধন সফল হলে প্রতিটি ই-রিকশাকে কিউআর কোডযুক্ত একটি ইউনিক নিবন্ধন নম্বর ও নম্বর প্লেট দেওয়া হবে। নিবন্ধনের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর।
গুরুত্বপূর্ণ শর্ত
নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, নিবন্ধন ছাড়া কোনো ব্যাটারিচালিত রিকশা সিটি করপোরেশন এলাকায় চলাচল করতে পারবে না। এছাড়া মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, প্রধান বাস রুট ও বিআরটি করিডোরে এসব রিকশা চলাচল করতে পারবে না।
আরও পড়ুনঃ
নিয়মিত টেক নিউজ আপডেট মোবাইলে পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।
ভিজিট করুন 👉
━ ━ ━ ━ ━ ━ ━ ━
ডিজিটাল টাচ ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন ।ডিজিটাল টাচ সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুনঃ এই লিংকে।


