পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প নিয়ে আশার কথা জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে যেকোনো সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রকল্পটির উদ্বোধন করতে পারেন। গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্পকে বাংলাদেশের একটি মাস্টারমাইন্ড প্রকল্প হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি। এতে প্রত্যাশা পূরণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
রাজবাড়ীর পাংশার হাবাসপুরে শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর সম্ভাব্য প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনের পর মন্ত্রী এসব কথা জানান। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ, পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের ২৪টি জেলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। কৃষি, বিদ্যুৎ ও মৎস্য উৎপাদনে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ার প্রত্যাশা রয়েছে। মানুষের জীবনযাত্রাতেও পরিবর্তন আসতে পারে।
মন্ত্রী আরও জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কৃষিতে নতুন গতি আসবে এবং ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে। আধুনিক প্রযুক্তির বিভিন্ন সুবিধাও যুক্ত হবে। গত ১৩ মে একনেকের সভায় পদ্মা ব্যারেজ প্রথম পর্যায় নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এর সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে বড় বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে।
পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পে বড় পরিবর্তনের প্রত্যাশা ।২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিকে উদ্বোধনের সম্ভাবনা
পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি জানিয়েছেন, ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে যেকোনো সময়ে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের উদ্বোধন হতে পারে। শুক্রবার রাজবাড়ীর পাংশার হাবাসপুরে প্রকল্পের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন শেষে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ, পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের ২৪টি জেলার অর্থনৈতিক রূপান্তরের সুযোগ তৈরি হবে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের পাশাপাশি ব্যবসা বাণিজ্যের পরিধিও বাড়তে পারে।
আরও পড়ুনঃ ৬৪ জেলায় বিনামূল্যে এআই প্রশিক্ষণ, মিলবে প্রতিদিন ২০০ টাকা ভাতা
কৃষি, বিদ্যুৎ ও মৎস্য উৎপাদনে প্রভাব
পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলে কৃষি খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী। তার মতে, কৃষিতে উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং মাছের উৎপাদনও বৃদ্ধি পেতে পারে।
এর সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে প্রকল্পটি শুধু পানি ব্যবস্থাপনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং সংশ্লিষ্ট এলাকার কৃষি ও অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।
আরও পড়ুনঃ ইউনিয়ন পর্যায়েও বসছে ভ্যাট, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মাসে ৫০০ টাকা
একনেকে অনুমোদন, ব্যয় ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা
পানিসম্পদমন্ত্রী জানান, বিএনপি নির্বাচনী ইশতেহারে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়টি উল্লেখ করেছিল। এখন সেই প্রকল্প বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
গত ১৩ মে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির একনেক সভায় পদ্মা ব্যারেজ প্রথম পর্যায় নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা।
পানিসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, রাজবাড়ী ২ আসনের এমপি হারুন অর রশিদ হারুন, জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়া এবং কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহসভাপতি মো. আসলাম মিয়াসহ আরও অনেকে।
নিয়মিত টেক নিউজ আপডেট মোবাইলে পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।
ভিজিট করুন 👉
━ ━ ━ ━ ━ ━ ━ ━
ডিজিটাল টাচ ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন ।ডিজিটাল টাচ সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুনঃ এই লিংকে।


