পালিয়ে বিয়ে করার আগে আইনি দিকগুলো ভালোভাবে জেনে নেওয়া জরুরি। অনেকেই না জেনে পালিয়ে বিয়ে করে পরে আইনি জটিলতায় পড়েন। বাংলাদেশের আইনে পালিয়ে বিয়ে করা নিয়ে স্পষ্ট নিয়ম রয়েছে।
মুসলিম আইন অনুযায়ী ছেলের বয়স কমপক্ষে ২১ বছর এবং মেয়ের বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। বয়স কম হলে বিয়ে আইনত অবৈধ।
পালিয়ে বিয়ে করতে হলে দুজন প্রাপ্তবয়স্ক সাক্ষী এবং কাজির উপস্থিতি প্রয়োজন। কাজি ছাড়া বিয়ে বৈধ নয়।
অনেক সময় পরিবারের অমতে পালিয়ে বিয়ে করেন তরুণ-তরুণীরা। কিন্তু বিয়ের পর পারিবারিক সমস্যা তৈরি হলে তা আইনি জটিলতায় রূপ নেয়।
আইন অনুযায়ী, কোনো পক্ষ যদি ইতিমধ্যে বিবাহিত হন তাহলে দ্বিতীয় বিয়ের আগে প্রথম স্ত্রী বা স্বামীর অনুমতি নিতে হবে। অন্যথায় দ্বিতীয় বিয়ে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
পালিয়ে বিয়ে করার পর যদি কোনো পক্ষ অনিচ্ছায় বিয়েতে রাজি হয়ে থাকেন তাহলে তা বাতিলের সুযোগ রয়েছে। এ জন্য আদালতে আবেদন করতে হবে।
বয়স প্রমাণের জন্য জন্মনিবন্ধন বা শিক্ষাগত সনদ প্রয়োজন। এসব কাগজ ছাড়া কাজি বিয়ে সম্পন্ন করবেন না।
বিয়ে নিবন্ধন করতে হবে ৩০ দিনের মধ্যে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন না করলে জরিমানা হতে পারে।
বিদেশে পালিয়ে বিয়ে করলে সেই বিয়ে বাংলাদেশে স্বীকৃতি পাবে কি না তা নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট দেশের আইন ও বাংলাদেশের আইনের উপর।
কেউ যদি জোর করে বা ভয় দেখিয়ে পালিয়ে বিয়ে করান তাহলে সেটি অপরাধ। এ ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী আইনি সহায়তা নিতে পারেন।
পালিয়ে বিয়ের আগে উভয় পক্ষের পরিবারের সম্মতি নেওয়া ভালো। এতে ভবিষ্যতে আইনি ও সামাজিক জটিলতা এড়ানো যায়।
বিয়ে সংক্রান্ত যে কোনো সমস্যায় আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত। স্বেচ্ছায় ও সঠিক নিয়ম মেনে বিয়ে করলে তা টেকসই হয়।
আরও পড়ুনঃ এসএসসির খাতা দেখায় গাফিলতি করা শিক্ষকদের শাস্তি হবে: শিক্ষামন্ত্রী
নিয়মিত টেক নিউজ আপডেট মোবাইলে পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।
ভিজিট করুন 👉
━ ━ ━ ━ ━ ━ ━ ━
ডিজিটাল টাচ ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন ।ডিজিটাল টাচ সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুনঃ এই লিংকে।


