সুইস ব্যাংক (Swiss Bank) | সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশীদের টাকা বেশি কেন যাচ্ছে

সুইস ব্যাংক সম্পর্কে অনেকেই জানতে চান। বাংলাদেশীদের টাকা এখন অনেক বেশি কেন যাচ্ছে এই ব্যাংকে এমন প্রশ্ন অনেকের মনে। গোপনীয়তার জলে ভরা সুইস ব্যাংক এক্ষেত্রে সুইস ব্যাংকের নাম বেশি শোনা যায়। সারা দুনিয়ার বিত্তশালী এবং বিখ্যাত মানুষদের অঢেল অর্থ রাখার প্রথম পছন্দ সুইস ব্যাংক কিন্তু কেন!

সুইস ব্যাংক এবং ব্যাংকিং খাত নিয়ে অধীর কৌতুহলের কারণ সম্পর্কে জেনে নিন- প্রথমেই বলে রাখা ভালো সুইস ব্যাংক বলে আসলে একক কোনো ব্যাংকই নেই।

তাহলে খবরের শিরোনাম এর জনপ্রিয় বিষয় সুইস ব্যাংক আসলে কী। সুইস ব্যাংকে একাউন্ট আছে শুনলেই ব্যাপারটা অনেক অভিজাত মনে হয়।

কিন্তু কি এই সুইস ব্যাংক? কোথায় আছে এই ব্যাংকটি?

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশীদের টাকা বেশি কেন যাচ্ছে
সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশীদের টাকা বেশি কেন যাচ্ছে

সুইস ব্যাংক নিয়ে সাধারন মানুষের মধ্যে আগ্রহ অনেক তো বন্ধুরা আজকে আমরা Swiss Bank ( সুইস ব্যাংক ) সম্পর্কে A to Z জানার চেষ্টা করব ৷

এই পোস্টে আপনি Swiss Bank সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন।

সুইস ব্যাংক (Swiss Bank) কি?

সুইজারল্যান্ড সরকারের আর্থিক সব কাজের নিয়ন্ত্রণ এবং আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত এমন সব প্রতিষ্ঠানের তদারকি করে সুইচস ফিনান্সিয়াল মার্কেট সুপারভাইজারি অথরিটি সংক্ষেপে এফআইএমএনএ ও সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তাদের অধীনে যত ব্যাংক আছে তাদের সবগুলোকে একসঙ্গে সুইস ব্যাংক বলে৷ বর্তমানে সুইজারল্যান্ড তিনশো এর অধিক ব্যাংক রয়েছে।

সুইস ব্যাংক (Swiss Bank) কোথায় অবস্থিত

সুইস ব্যাংক কর্পোরশন (SBC) ( English: Swiss Bank Corporation (SBC), German: Schweizerischer Bankverein (SBV), French: Société de Banque Suisse (SBS), Italian: Società di Banca Svizzera) সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত একটি সমষ্টিগত অর্থনৈতিক সেবা।

সুইজারল্যান্ড এর ব্যাংককিং নীতিমালার অধিনে পরিচালিত প্রায় 250 টি ব্যাংক এবং আর্থিক সেবা দানকারি প্রতিষ্ঠান মিলে সুইস ব্যাংক নামে পরিচিত ৷

সুইস ব্যংকের ইতিহাস। সুইস ব্যাংক কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?

সুইস ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৫৪ সালে ৬ টি ব্যাংক মিলে সুইচ ব্যাংক কর্পোরেশন নামে এবং ১৯৯৮ সালে এই ব্যাংকটি বন্ধ হয়ে যায়।

কি অবাক হচ্ছেন? তাহলে এই যে কোটি কোটি টাকা সুইস ব্যাংকে পড়ে থাকার গল্প শুনা যায় এই সবই কি মিথ্যে? না, এই সব কথা মিথ্যে না।

সুইস ব্যাংক নামে আলাদা করে কোনো ব্যাংক না থাকলেও Swiss Financial Market Supervisory Authority (FINMA) এর অধীনে সুইজারল্যান্ডের সকল ব্যাংক যেমনঃ UBS,Credit Suisse ইত্যাদিই বর্তমানে সুইচ ব্যাংক নামে পরিচিত।

আরও পড়ুনঃ

একজন দেশ প্রেমিকের দশটি গুন

প্লে স্টোরে আপ্প ডাউনলোড করবেন কিভাবে

সুইচ ব্যাংকের পুনর্গঠন

মানে ১৯৯৮ সালে সুইচ ব্যাংকের বিলুপ্তির মাধ্যমে আরেকটি নতুন ব্যাংকিং ব্যাবস্থা শুরু হল।

বর্তমানে সুইজারল্যান্ডে প্রায় ৩০০ এর বেশি ব্যাংক আছে। গোপনীয়তা রক্ষা এবং নিরাপত্তার জন্য সুইস ব্যাংক সারা বিশ্বে অনেক বেশি জনপ্রিয়।

প্রায় ৩০০ বছর আগে থেকেই সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকে গোপন একাউন্ট খুলে টাকা জমা রাখার ব্যাবস্থা ছিল।

ফ্রান্সের রাজাদের সঞ্চিত অর্থ গোপন রাখার প্রবণতা থেকেই এই ব্যাবস্থা চালু হয়।

সপ্তদশ শতকের শুরু থেকেই জেনেভাকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু আর্থিক লেনদেনের প্রতিষ্ঠান গড়া শুরু হয়।

১৭১৩ সালে ট্রেড কাউন্সিল অব জেনেভা ব্যাংকিং এর নীতিমালা প্রকাশ করা হয়। যে নীতিমালায় কেবল গ্রাহক ছাড়া অন্য কারো কাছে একাউন্ট সম্পর্কিত তথ্য জানানো ছিল নিষিদ্ধ।

দেশের আয়কর ফাঁকি দেয়া এবং অবৈধ টাকা রাখার জন্য তাই এই ব্যাংক গুলোই হয়ে ওঠে সবচেয়ে নিরাপদ।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরপর অবৈধ অর্থের এক অভয়নগরে পরিণত হয় সুইস ব্যাংক।

১৯৩৪ সালে ফ্রান্স সরকার ক্ষিপ্ত হয়ে প্যারিসের সুইস ব্যাংকের সব নথিপত্র জব্ধ করেন।

কালো টাকার এক বড় রকমের জগতের সন্ধান মিলে সেই নথিপত্র থেকে। কিন্তু সুইস ব্যাংক নিজেদের নিরাপত্তা আরো বাড়াতে এবার ১৭১৩ সালের আইনকে
সংশোধন করেন।

তৈরী করা হয় ‘সুইস ফ্যাডারেল ব্যাংকিং ল’ নামের নতুন আইন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কোনো দেশের ব্যাংকই যখন জার্মানের টাকা নিতে রাজি হচ্ছিল না তখন তাদের লুট করা ধন সম্পদের স্থান হয় সুইস ব্যাংক।

সুইজারল্যান্ডের অর্থনীতি ব্যাবস্থা খুবই মজবুত। রাজনৈতিক কোনো বিশৃঙ্খলা না থাকায় সুইজারল্যান্ড শুধু তাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দিকে নজর দিতে পেরেছে।

সুইজারল্যান্ডে সর্বশেষ যুদ্ধ হয়েছিল ১৫০৫ সালে। সবাই যখন রাজ্য বিস্তারে দিক-বিদিক হয়েছে, সুইজারল্যান্ড তখন তাদের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে নতুন নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে।

ঊনিশ শতকে দুইটি বিশ্ব যুদ্ধের কেন্দ্র ছিল ইউরোপ। কিন্তু সুইজারল্যান্ড এখানেও
কোনো যুদ্ধে না জড়িয়ে নিরপেক্ষ থেকেছে।

বর্তমানেও সুইজারল্যান্ডকে অত্যন্ত নিরাপদ রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাই ব্যাংকিং ব্যাবস্থাও এখানে নিরাপদ।

আরও পড়ুনঃ

পাসপোর্ট নাম্বার দিয়ে পাসপোর্ট চেক করার নিয়ম 

পদ্মা সেতু সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান

সুইস ব্যাংক (Swiss Bank) কিসের জন্য এত জনপ্রিয়

সুইস ব্যাংকিং (Swiss Bank) ব্যবস্থা ব্যাংকিং এর ক্ষেত্রে একজন গ্রাহক সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটি আশা করে তা হলো গোপনীয়তা।

যদি অবৈধ টাকা বা কালোটাকা হয় তবে গোপনীয়তাই মুখ্য হয়ে দাঁড়ায়৷ আর সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকিং এর সুনাম ঠিক এখানেই।

সুইস ব্যাংক তাদের গ্রাহকদের ব্যক্তিগত কোনো তথ্য কাউকেই দিতে বাধ্য নয়।

গ্রাহকদের ব্যক্তিগত তথ্যের প্রকাশ ঘটলে সুইস আইন অনুযায়ী ব্যাংকের আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড ভোগ এবং ৪০০ সুইস ফ্রাঁ জরিমানা হতে পারে।

এছাড়াও ক্ষতি বিবেচনা করে গ্রাহক ক্ষতিপূরণও পেতে পারেন। সুইস ব্যাংকের এই গোপনিওতার কারনে সারা বিশ্বের অবোর্ধ অর্থ পাচারের গন্তব্য হয়ে উঠেছে এই Swiss Bank.

Swiss Bank এর গোপোনিওতার পাশাপাশি আর অনেক সুভিধা রয়েছে ৷

সুইজারল্যান্ড এর মুদ্রার নাম সুইস ফ্রাংক৷ এটি পৃথীবির অন্যতম স্থিতিতিশিল মুদ্রা।

১ সুইস ফ্রাংক এর মুল্য বাংলাদেশি ৯১ টাকার ও বেশি৷ এই মুদ্রার মান দিনদিন বেড়েই চলেছে৷

যে কারনে এখানে বিশ্বের বড় বড় ধনী ব্যাক্তিরা সম্পদ জমা রাখে ৷

এসকল কারনে সুইস ব্যাংক মিলিনিওর বিলিনিওর দের কাছে এই ব্যাংক খুব
জনপ্রিয় ৷

আরও পড়ুনঃ

ফেসবুক আইডি ডিএক্টিভ করার নিয়ম

সুন্দর প্রোফাইল পিকচার ডাউনলোড

সুইস ব্যাংক (Swiss Bank) এর তথ্য প্রকাশ সুইস ব্যাংক (Swiss Bank) কখন তথ্য প্রকাশ করে

আইনের কোনো মারপ্যাঁচ ছাড়াই একজন গ্রাহকের তথ্য সুইস ব্যাংক প্রকাশ করে যখন কোনো গ্রাহক মৃত্যুবরণ করেন।

বিগত ৬০ বছর ধরে কোনো গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে কোনো প্রকার লেনদেন না করা হয় এবং অর্থের পরিমাণ পাঁচশত সুইস ফ্রার বেশি হয় তবে সেটা প্রকাশ করা হয়।

যদি কোনো উত্তরাধিকারী সম্পত্তির দাবি না করে তবে এক বছর পর সুইস সরকার সেই সম্পদ নিজেদের কোষাগারে জমা করে নেয়।

যদি কোন অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে গ্রাহকের পরিচয় প্রকাশে কোন বাধা নেই।

অপরাধের তদন্তের ক্ষেত্রে সুইস ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের পরিচয় প্রকাশে বাধ্য, সেই অপরাধ সুইটজারল্যান্ডেই হোক, আর অন্য কোন দেশেই হোক।

তবে সুইস ব্যাংকগুলোতে সারাবিশ্ব থেকেই বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ রাখা হয় বলে দুর্নাম রয়েছে এই ব্যাংকটির।

অবৈধ অর্থের জন্য সুইস ব্যাংক কেন এত জনপ্রিয় ? অবৈধ অর্থ পাচার সুইস ব্যাংকে?

এর প্রধান কারণ, অর্থের  প্রাইভেসি এবং স্থিতিশীলত। সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকিং সিস্টেমকে পৃথিবীর অন্যতম স্থিতিশীল ব্যাংকিং সিস্টেম বলা হয।

ক্লায়েন্টদের অর্থ ও সম্পদের সর্বোচ্চ তথ্যগত নিরাপত্তা দেয় সুইস ব্যাংক। 300 বছর এর ও বেশি সময় ধরে সুইস ব্যাংক এই কার্যকলাপ খুব গোপন ভাবে পরিচালিত করে আসছে৷

সুইস ব্যাংক তাদের গ্রাহক দের সকল তথ্য গোপন রাখতে আইনগত ভাবে বাধ্য।

এই জন্য সুইস ব্যাংকে অবৈধ অর্থ রাখার আদর্শ স্থান৷

আরও পড়ুনঃ

শহীদ বুদ্ধিজীবী কতজন | শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালনের উদ্দেশ্য কি?

ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্লু ভেরিফিকেশন

সুইস ব্যাংকে (Swiss Bank) বাংলাদেশীদের টাকার পরিমাণ

সুইস ব্যাংকে (Swiss Bank) বাংলাদেশীদের টাকার পরিমাণ
=> সুইস ব্যাংকে (Swiss Bank) বাংলাদেশীদের টাকার পরিমাণ

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশের টাকা প্রতিবেদনে জানা যায়, তিন বছর ধারাবাহিক হ্রাসের পর ২০২১ সালে বাংলাদেশীদের জমা অর্থের পরিমাণের বড়
ধরনের পরিবর্তন হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ
জমানোর পরিমাণ কমে আসে।

২০১৮ সাল সুইস ব্যাংকে ৬১ কোটি ৭৭ লাখ সুইস ফ্রাঁ জমা করেছিলেন
বাংলাদেশীরা।

২০১৯ সালে তা নেমে ৬০ কোটি ৩০ লাখে দাঁড়ায়, পরে বছর জমানো অর্থের পরিমাণ হ্রাস পায় আরো চার কোটি ফ্রাঁ।

সর্বশেষ, ২০২১ সালে এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ৫৫ শতাংশ বেড়ে এক লাফে ৮৭ কোটি ১১ লাখ সুইস ফ্রাঁতে ওঠেছে।

বর্তমান বিনিময় হার (১ সুইস ফ্রাঁ = ৯৫ টাকা ৮০ পয়সা) হিসাবে বাংলাদেশী মুদ্রায় যার পরিমাণ ৮ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা।

বাংলাদেশিদের টাকার ‘পাহাড়’ জমেছে সুইস ব্যাংকে। সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে মাত্র ১২ মাসে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ অর্থ জমা করেছেন তারা।

সব মিলিয়ে সুইস ব্যাংকগুলোতে এখন বাংলাদেশিদের টাকার পরিমাণ ৮ হাজার ২৭৫ কোটি। যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ। 

দেশে যখন টাকা পাচার ঠেকানোর তোড়জোড়, তখন নজিরবিহীন গতিতে সুইস ব্যাংকে টাকা জমিয়েছেন বাংলাদেশিরা।

গত এক বছরে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থের পরিমাণ প্রায় ৫৫ শতাংশ বেড়েছে।

যা বাংলাদেশি টাকার পরিমাণ ৮ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা।

সুইস ব্যাংকে একাউন্ট খুলতে আপনাকে কোন না কোন সুইস ব্যাংকে সশরীলে যেতে হবে ৷

সুইস ব্যংকের (Swiss Bank) সুদের হার কত?

Swiss Bank এর সুদের হার একেবারে নাই বললেই চলে৷ সুইস ব্যাংকের সুদের হার মাত্র 0.75%৷ অনেক সুমাই সুইস ব্যাংকে টাকা রাখার জন্য আপনাকে উলঠা ব্যাংকে সুদ দিতে হতে পারে।

একক দেশ হিসেবে সুইস ব্যাংকে যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের জমা অর্থের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।

এর পরের অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ক্যারিবিয় দ্বীপ রাষ্ট্র ওয়েস্ট ইন্ডিজ রয়েছে তৃতীয় অবস্থানে।

এসএনবি প্রকাশিত তালিকায় এর পরে রয়েছে যথাক্রমে ফ্রান্স, হংকং, জার্মানি, সিঙ্গাপুর ও লুক্সেমবুর্গ।

গোপনে অর্থ গচ্ছিত রাখার জন্য খ্যাতি রয়েছে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোর। গ্রাহকদের তথ্য প্রকাশ করতে বাধ্যবাধকতা না থাকায় সারা বিশ্বের ধনীদের অর্থ জমানোর জনপ্রিয় উৎস হয়ে ওঠেছে এটি।

গ্রাহকদের জমানো অর্থের উৎসও তারা জানতে চায় না। সব মানুষ চায় আমার টাকা নিরাপদে থাকুক হোক সেই অর্থ বৈধ বা অবৈধ।

তাই এসব কিছুর জন্য সুইজ ব্যাংক সারা বিশ্বের কাছে এত জনপ্রিয়।

আরও পড়ুনঃ

ফ্রী ফায়ার ডায়মন্ড টপ আপ সেন্টার । Free Fire Diamond Top Up BD

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা

খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা মোট কতজন

All About Swiss Bank FAQS

সুইস ব্যাংকের বাংলাদেশ শাখা আছে কি?

না, সুইস ব্যাংকের বাংলাদেশে কোনো শাখা নেই।

কিভাবে সুইস ব্যংকের (Swiss Bank) একাউন্ট খুলবেন?

সুইস ব্যংকের (Swiss Bank) একাউন্ট খোলার নিয়ম ন্যূনতম ১৮ বছর এবং একটি বৈধ পাসপোর্ট, শুধুমাত্র এই দু’টি জিনিস থাকলেই সুইজারল্যান্ডের একটি ব্যাংকে অর্থ জমা রাখা যায়। এরকম কোনো বাধ্যবাধকতা নেই যে গ্রাহককে খুব উচ্চবিত্ত বা আভিজাত্যপূর্ণ হতে হবে।

সুইস ব্যংকে একাউন্ট খুলতে কত টাকা লাগে?

মাত্র ৫ হাজার সুইস ফ্রাঁ থাকলেই যে কেউ একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে। তাই বাংলা টাকা হিসাব সুইস ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুলতে আপনাকে ৪৫৫০০০ টাকা গুনতে হবে।

সুইস ব্যংকে বাংলাদেশীদের টাকার পরিমান কত?

বর্তমানে সুইস ব্যংকে বাংলাদেশীদের টাকার পরিমাণ বাংলাদেশি তাকায় ৮ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা।

উপসংহার

আশা করি আপনি সুইজ ব্যাংক সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। অবৈধ অর্থ লেনদেন ও মজুদের ক্ষেত্রে এই ব্যাংকের প্রচুর সুনাম ও দুর্নাম উভয়ই রয়েছে।

তবে অর্থ পাচারকারীদের জন্য এটি একটি স্বর্গরাজ্যের মতো, তারা তাদের অর্থকে যেভাবে খুশি রাখতে পারেন।

তবে দেশের অর্থ অবৈধভাবে মজুদ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

আমাদের দেশের সরকারকে উচিত বাইরের ব্যাংকগুলোতে অর্থ রাখার ক্ষেত্রে বিশেষ কোন নীতিমালা প্রণয়ন করা, যাতে দেশের বাহিরে টাকা প্রচার হতে না পারে। 

এই বিষয়ে আপনার আরও জানার থাকলে আমাদের এই বিষয়ে আপনার আরও জানা থাকলে আমাদের কমেন্ট করে জানান।

সেইসাথে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

Leave a Comment

13 + one =