অনলাইনে ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন | ভোটার হতে কি কি কাগজ লাগে

প্রিয় পাঠকবৃন্দ অনলাইনে ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন কিভাবে করতে হয় সে সম্পর্কে জানার জন্য আপনারা অনেকেই গুগলের মাধ্যমে সার্চ করে থাকেন। মূলত ভোটার হওয়া কিংবা ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করা বর্তমানে আমাদের বাংলাদেশে খুবই সহজ এবং ঝামেলা ছাড়া করা সম্ভব। যার জন্য আপনাকে কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।

মূলত আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করব কিভাবে আপনারা অনলাইনে ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করবেন সেই সম্পর্কে। মূলত ভোটার আইডি কার্ড তৈরি আমাদের প্রতিটি মানুষের জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

তাই আপনারা আজকের এই আর্টিকেলের সম্পূর্ণ নিয়ম কানুনগুলো শেষ পর্যন্ত পড়ুন।অবশ্যই মনোযোগ সহকারে পড়বেন কেননা আপনাদের ভোটার আইডি কার্ড আপনাদের খুবই প্রয়োজনীয়।

অনলাইনে ভোটার হওয়ার নিয়ম

অনলাইনে ভোটার হওয়ার নিয়ম
অনলাইনে ভোটার হওয়ার নিয়ম

বর্তমান সরকারের উদ্যোগে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটার হওয়ার দিন প্রায় শেষ হয়ে গেছে।

এখন থেকে ভোটার হওয়ার জন্য আপনাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।

আপনারা শুধুমাত্র কাগজপত্রগুলো অনলাইনের মাধ্যমে প্রদান করে এখন হাতে ভোটার আইডি কার্ড পেয়ে যাবেন।

নতুন ভোটার হিসেবে নিবন্ধন করতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের services.nidw.gov.bd এই ঠিকানায় লগ অন করতে হবে।

এরপর ফরম ডাউনলোড ক্যাটাগরিতে ক্লিক করে ফরমটি ডাউনলোড করে ভালভাবে পূরণ করতে হবে।

আর কেউ যদি আপনারা ভোটার ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছেন তাহলে আপনাদের পুনরায় আবার আবেদন করবার প্রয়োজন হবে না।

নিবন্ধিত ব্যক্তি যদি পুনরায় আবার আবেদন করতে চান তাহলে সেটি কিন্তু আবার দন্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

নতুন ১৮ বয়সের অধিক, প্রবাসী বা বাদপড়া ভোটারগণ এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন।

আরও পড়ুনঃ

এজেন্ট ব্যাংকিং কি?

মাথা ব্যথার দোয়া কোনটি?

অসুস্থ ব্যক্তির জন্য দোয়া কোনটি?

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড করতে কি কি লাগবে 

  • এসএসসি সনদ – (বয়স প্রমানের সনদ)
  • জন্ম নিবন্ধন – (বয়স প্রমানের সনদ)
  • পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স / টি.আই.এন – (বয়স প্রমানের সনদ)
  • ইউটিলিটি বিলের কপি/বাড়ী ভাড়ার রশিদ/হোল্ডিং ট্যাক্স রশিদ – (ঐ এলাকায় সচরাচর বসবাস করেন এরূপ কোন প্রমান)
  • নাগরিকত্বের সনদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
  • বাবা, মা, স্বামী/স্ত্রীর আই.ডি কার্ডের কপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

কিভাবে ফরম পূরণ করবেন 

১. ধাপে ধাপে সকল তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে।

২. নিজের পূর্ণ নাম ছাড়া সকল তথ্য বাংলায় ইউনিকোডে পূরণ করতে হবে।

৩. সকল ধাপ সম্পন্ন হবার পরে প্রিভিউ এর মাধ্যমে সকল তথ্য পুনরায় যাচাই করে নিতে হবে।

৪. পিডিএফ ফাইল তৈরি করে সেটি প্রিন্ট করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ  নিকটস্থ নির্বাচন অফিসে জমা দিতে হবে।

৫. আপনার প্রদত্ত তথ্যাদি যাচাই এবং ঠিকানা যাচাইয়ের পরে তথ্যাদি সঠিক নিশ্চিত হলে আপনার কার্ড তৈরি হবে।

৬. কার্ডের রশিদ জমা দিয়ে কার্ড সংগ্রহ করতে হবে।

প্রয়োজনীয় তথ্য

ফরম পূরণের আগে সকল তথ্য সাথে রাখুন ফরমের সাথে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের কপি জমা দিন।

আরও পড়ুনঃ

থাইরয়েড হলে কি কি সমস্যা হয়?

চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম কি?

টিউমার চেনার উপায়?

অনলাইনে ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন FAQS

অনলাইনে ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করতে কি কি লাগে?

এসএসসি সনদ – (বয়স প্রমানের সনদ)
জন্ম নিবন্ধন – (বয়স প্রমানের সনদ)
পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স / টি.আই.এন – (বয়স প্রমানের সনদ)
ইউটিলিটি বিলের কপি/বাড়ী ভাড়ার রশিদ/হোল্ডিং ট্যাক্স রশিদ – (ঐ এলাকায় সচরাচর বসবাস করেন এরূপ কোন প্রমান)
নাগরিকত্বের সনদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
বাবা, মা, স্বামী/স্ত্রীর আই.ডি কার্ডের কপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

উপসংহার 

প্রিয় পাঠকবৃন্দ অনলাইনে ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন কিভাবে করতে হয় আজকের এই আর্টিকেলে আপনাদের সেটি বিস্তারিত জানানো হয়েছে।

আশা করছি আজকের এই আর্টিকেলটি আপনাদের খুব ভাল লাগবে এবং আপনারা সঠিক নিয়মে ভোটার আইডি কার্ড তৈরির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

আপনাদের যদি আজকের এই আর্টিকেল সংক্রান্ত কোনো প্রশ্ন কিংবা মতামত থাকে তাহলে সেটি আমাদের সরাসরি কমেন্টের মাধ্যমে জানান।

নানান ধরনের মোবাইল টেলিকম অফার এবং শিক্ষামূলক নানান পোস্ট গুলো পড়তে আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।

এছাড়াও আমাদের ওয়েবসাইট থেকে আপনারা অনলাইন ভিত্তিক কাজ গুলো গাইডলাইন সহকারে পেয়ে যাবেন।

এধরনের আর্টিকেলগুলো পড়তে এবং আমাদের ওয়েবসাইটের সাথে থাকতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেইজে

Leave a Comment

17 − seven =