বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ ২৩ বছর পর আবারও বাংলাদেশ বনাম অস্ট্রেলিয়া টেস্ট সিরিজ ২০২৬ উপলক্ষে জাতীয় দল অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে দেশ ছেড়েছে। ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে এই সফর ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।
দুই ম্যাচের এই টেস্ট সিরিজ শুধু একটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নয়, বরং বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের অগ্রযাত্রার জন্যও একটি বড় সুযোগ। শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণ করার লক্ষ্য নিয়েই সফরে যাচ্ছে টাইগাররা। সিরিজের আগে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে দল আগেভাগেই অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছাবে।
দীর্ঘ বিরতির পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে যাওয়াকে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তসহ পুরো দল আত্মবিশ্বাসী যে ভালো পারফরম্যান্স ভবিষ্যতে আরও বেশি টেস্ট সিরিজের দরজা খুলে দিতে পারে।
২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের টেস্ট সফর
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল শুক্রবার রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে প্রথম বহরে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে রওনা দেয়। প্রথম দফায় যাত্রা করেন টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, সহ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ, অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম, মুমিনুল হক, ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম, অমিত হাসানসহ দলের কয়েকজন ক্রিকেটার।
তাদের সঙ্গে রয়েছেন প্রধান কোচ ফিল সিমন্স, ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল, স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদ এবং সাপোর্ট স্টাফের সদস্যরা। দলের বাকি সদস্যরা পৃথক ফ্লাইটে পরে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন।
সিরিজের আগে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ
অস্ট্রেলিয়ার ভিন্ন কন্ডিশনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে নির্ধারিত সময়ের আগেই সেখানে পৌঁছাচ্ছে বাংলাদেশ দল। মূল সিরিজ শুরুর আগে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবেন ক্রিকেটাররা।
এই ম্যাচের মাধ্যমে ব্যাটার ও বোলাররা স্থানীয় উইকেট, আবহাওয়া এবং মাঠের পরিবেশ সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন। টিম ম্যানেজমেন্টও খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স মূল্যায়নের সুযোগ পাবে।
আরও পড়ুনঃ এনআইডি সংশোধন ও হারানো কার্ড তুলতে বাড়ছে ফি, জেনে নিন নতুন খরচ
দুই টেস্টের সূচি ও ভেন্যু
দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচ শুরু হবে ১৩ আগস্ট ডারউইনের মারারা ওভালে। দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে ২২ আগস্ট ম্যাকাইয়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায়।
এই দুটি ভেন্যুতেই বাংলাদেশের জন্য কন্ডিশন নতুন। তাই সিরিজে ভালো ফল করতে শুরু থেকেই দ্রুত মানিয়ে নেওয়া হবে দলের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ।
শান্ত যা বললেন অস্ট্রেলিয়া সফর নিয়ে
সফরের আগে সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত জানান, ডারউইনের কন্ডিশন সম্পর্কে দলের সরাসরি অভিজ্ঞতা খুব বেশি না থাকলেও বিশ্লেষকরা মাঠ ও উইকেট নিয়ে বিস্তারিত তথ্য এবং পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছেন।
তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদের মাটিতে টেস্ট খেলতে পারা তার ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় অর্জন। শান্তের বিশ্বাস, বাংলাদেশ যদি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলতে পারে, তাহলে ভবিষ্যতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আরও বেশি টেস্ট সিরিজ খেলার সুযোগ তৈরি হবে।
আরও পড়ুনঃ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন তিন ব্যক্তিকে নিয়োগপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী
নিয়মিত টেক নিউজ আপডেট মোবাইলে পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।
ভিজিট করুন 👉
━ ━ ━ ━ ━ ━ ━ ━
ডিজিটাল টাচ ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন ।ডিজিটাল টাচ সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুনঃ এই লিংকে।


