দেশের শিক্ষিত ও কর্মপ্রত্যাশী তরুণদের ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে সরকার বিনামূল্যে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে। দেশের ৬৪ জেলার যুবক ও যুব নারীদের জন্য পরিচালিত এই কার্যক্রমের অষ্টম ব্যাচে তিন মাসের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণে অংশ নিতে কোনো ফি দিতে হবে না।
যারা বিনামূল্যে ৬৪ জেলায় ফ্রিল্যান্সিং আবেদন করবেন কিভাবে জানতে চাইছেন, তাদের জন্য রয়েছে নির্ধারিত অনলাইন আবেদন ব্যবস্থা। আবেদনকারীর বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছর এবং এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক। কম্পিউটার ও আইসিটি বিষয়ে মৌলিক জ্ঞান এবং ইংরেজিতে দক্ষতা থাকলে বাছাইয়ে অগ্রাধিকার পাওয়া যাবে।
অষ্টম ব্যাচের ক্লাস ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে। মোট ৬০০ ঘণ্টার এই প্রশিক্ষণে প্রতিদিন আট ঘণ্টা ক্লাস হবে। প্রশিক্ষণার্থীরা দৈনিক ২০০ টাকা যাতায়াত ভাতা, খাবার এবং প্রশিক্ষণ শেষে সনদ পাবেন। আয় বাড়ানোর কাজে যুক্ত হতে পরবর্তী সময়ে মেন্টরিং সহায়তাও দেওয়া হবে।
বিনামূল্যে ৬৪ জেলায় ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণে আবেদন করার নিয়ম
দেশের সব জেলার কর্মপ্রত্যাশী যুবক ও যুব নারীরা অনলাইনে এই প্রশিক্ষণের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে করতে হবে। আবেদন জমা দেওয়ার পর কপিটি ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করা জরুরি।
বৈধ আবেদনকারীদের মোবাইল নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার তারিখ এবং সময় জানানো হবে। এসএমএসে দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করে প্রিন্ট করতে হবে এবং পরীক্ষার সময় তা সঙ্গে রাখতে হবে।
প্রশিক্ষণের অষ্টম ব্যাচের জন্য অনলাইনে আবেদনের শেষ সময় ছিল ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট। লিখিত পরীক্ষা ১৯ সেপ্টেম্বর এবং মৌখিক পরীক্ষা ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। চূড়ান্ত নির্বাচিতদের তালিকা ও ফলাফল ২৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশের কথা জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধে জরুরি নির্দেশনা মন্ত্রণালয়ের
সরকারি ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের যোগ্যতা
প্রশিক্ষণে আবেদন করার জন্য প্রার্থীকে অবশ্যই এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে হতে হবে। দেশের ৬৪ জেলার কর্মপ্রত্যাশী যুবক ও যুব নারীরা এতে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
আইসিটি বা কম্পিউটার বিষয়ে প্রাথমিক ধারণা এবং ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা থাকা প্রার্থীদের প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণার্থীদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে বাছাই করা হবে।
প্রতিটি জেলায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট উপপরিচালকের সভাপতিত্বে পাঁচ সদস্যের ভর্তি কমিটি থাকবে। জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি এই কমিটিতে থাকবেন। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের মনোনীত প্রতিনিধিরাও বাছাই প্রক্রিয়া সরেজমিনে তদারকি করবেন।
আরও পড়ুনঃ পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প উদ্বোধনের সম্ভাব্য সময় জানালেন পানিসম্পদমন্ত্রী
প্রশিক্ষণ ও ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য কোথায় পাবেন
নির্বাচিত প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য তিন মাসে মোট ৬০০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে। প্রতিদিন আট ঘণ্টা করে ক্লাস হবে। প্রশিক্ষণের পুরো মেয়াদে কোনো ফি নেওয়া হবে না।
প্রশিক্ষণ চলাকালে প্রতিদিন ২০০ টাকা করে যাতায়াত ভাতা দেওয়ার পাশাপাশি সকালের নাশতা, দুপুরের খাবার ও বিকেলের নাশতার ব্যবস্থা থাকবে। প্রশিক্ষণ সফলভাবে শেষ করলে অংশগ্রহণকারীদের সনদ দেওয়া হবে। পরবর্তীতে আয় বৃদ্ধির কাজে যুক্ত হওয়ার জন্য মেন্টরিং সাপোর্টও দেওয়া হবে।
প্রশিক্ষণ ও ভর্তি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য নির্ধারিত ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
পরীক্ষার স্থান, সময় ও ফলাফল সম্পর্কেও আবেদনকারীদের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। নির্ধারিত সময় পার হলে অনলাইন আবেদন ব্যবস্থা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।
প্রশিক্ষণ ও ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যও জানা যাবে https://e-laeltd.com/64-student-reg-jubo ওয়েবসাইটে।
আরও পড়ুনঃ ৬৪ জেলায় বিনামূল্যে এআই প্রশিক্ষণ, মিলবে প্রতিদিন ২০০ টাকা ভাতা
নিয়মিত টেক নিউজ আপডেট মোবাইলে পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।
ভিজিট করুন 👉
━ ━ ━ ━ ━ ━ ━ ━
ডিজিটাল টাচ ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন ।ডিজিটাল টাচ সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুনঃ এই লিংকে।


