কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মাত্র একজন করে পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল, তবে তারা কেউই পাস করতে পারেনি। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড মিলনায়তনে ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম জানান, যে তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে একজন করে পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কেউ পাস করেনি সেগুলো হলো চাঁদপুর পৌর শহীদ জাবেদ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কুমিল্লার লালমাইয়ের সুরুজ মেমোরিয়াল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং লক্ষ্মীপুরের কেমব্রিজ সিটি কলেজ।
শতভাগ ফেল করা ১৫ প্রতিষ্ঠান
শুধু এই তিনটি প্রতিষ্ঠান নয়, কুমিল্লা বোর্ডের অধীনে এবার মোট ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। গত বছর শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৯টি, এবার তা বেড়ে ১৫টিতে দাঁড়িয়েছে।
শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার চাঁদপুর পৌর শহীদ জাভেদ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লালমাইয়ের সুরুজ মেমোরিয়াল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার কেমব্রিজ সিটি কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের জিনদপুর ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও বগইর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের তোরাবগঞ্জ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণের ডা. এম. শামসুল হক মডেল কলেজ, ফেনী সদর উপজেলার বেগম শামসুন নাহার গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লক্ষ্মীপুর সদরের বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. মমতাজ উদ্দিন আলোকিত কলেজ ও প্রফেসর সেকান্দার আলী ভূঁইয়া গার্লস হাই স্কুল।
এছাড়া নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের আপার মডেল কলেজ, লক্ষ্মীপুর সদরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কমলনগরের ফজুমিয়ার হাট হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের বীরগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ফেনী সদরের বেকন মডেল কলেজও এই তালিকায় রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ জিপিএ-৫ পেলেই টেলিটকের আগামী সিম, কিভাবে সংগ্রহ করবেন
কুমিল্লা বোর্ডের সার্বিক ফলাফল
এবার কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। মোট ৯২ হাজার ১৬২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৪৪ হাজার ৭২৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৩১৩ জন।
ফলাফলে ছাত্রীদের এগিয়ে থাকার চিত্রও দেখা গেছে। ছাত্রী ৫৫ হাজার ৪৩৪ জনের মধ্যে পাস করেছেন ২৮ হাজার ৪১৫ জন। অন্যদিকে ছাত্র ৩৬ হাজার ৭২৮ জনের মধ্যে পাস করেছেন ১৫ হাজার ৮৫৭ জন।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জানিয়েছেন, ইংরেজি ও উচ্চতর গণিতে ফেলের হার বেশি থাকায় সার্বিক ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে বোর্ডের পক্ষ থেকে সেমিনার ও অভিভাবক সমাবেশ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ এইচএসসিতে উত্তীর্ণ সবাই ভর্তি হলেও ফাঁকা থাকবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ লাখ আসন
নিয়মিত টেক নিউজ আপডেট মোবাইলে পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।
ভিজিট করুন 👉
━ ━ ━ ━ ━ ━ ━ ━
ডিজিটাল টাচ ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন ।ডিজিটাল টাচ সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুনঃ এই লিংকে।


