ডিজিটাল মার্কেটিং কি | ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে শিখব এবং ক্যারিয়ার গড়ব

ডিজিটাল মার্কেটিং কি? আমাদের আজকের বিষয় বাংলায় জানব Digital marketing সম্পর্কে। বর্তমানে যুগে সকল কিছুই অফলাইন থেকে অনলাইনে চলে গেছে আসছে। একবিংশ শতাব্দীর ইন্টারনেট প্রায় প্রতিটি মানুষের জীবনকে আরও উন্নত করেছে। এটা মূলত সম্ভব হয়েছে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে। এখন আপনি ঘরে বশেই ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে শিখবেন সেই সম্পর্কে জানতে পারেন।

ডিজিটাল দুনিয়া সম্পর্কে জানতে পারেন একটি ফোন বা ল্যাপটপের মাধ্যমে। ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে শিখে এবং কিভাবে এর সুবিধা উপভোগ করতে পারেন সহজে এই পোস্ট থেকে জানতে পারবেন।

আমরা ইন্টারনেট ব্যাবহার করে আমরা ডিজিটালি-

  • অনলাইন শপিং,
  • টিকিট বুকিং,
  • মোবাইল রিচার্জ,
  • পানি, বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট বিল ও কেনাকাটার বিল পরিশোধ,
  • অনলাইনে পেমেন্ট লেনদেন করতে পারনে।

যেমন অনলাইন কেনাকাটার বিল, অনলাইনে ঘরে বসে পৃথিবীর যে কোন প্রান্ত থেকে পণ্য ক্রয় সহ করা যায় অনেক কিছুই সম্বভ হয়েছে ডিজিটাল মার্কেটিং প্রসারের কারণে।

আরও পড়ুনঃ Domain meaning in Bengali

ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেট থেকে পণ্য ক্রয়ের এই প্রবণতার দিনে দিনে বেড়েই চলেছে।

এই কারণে ব্যবসায়ীরা তাদের পণ্য ডিজিটাল বিপণনের দিকে আরও বেশি মনযোগ দিচ্ছে।

বর্তমানে উন্নত দেশ গুলিতে বাজারের পরিসংখ্যান করে লক্ষ্য করা যায় প্রায় 80% ক্রেতারা তাদের জন্য কোন পণ্য কেনার পূর্বে ইন্টারনেট থেকে সেই পণ্য সম্পর্কে জানতে চান।

আমাদের বাংলাদেশেও এই সংখ্যা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে।

তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যবসা প্রসারের লক্ষে ডিজিটাল মার্কেটিং করা অত্যন্ত জরুরী হয়ে পড়েছে।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি | ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে হয়

ডিজিটাল মার্কেটিং কি  ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে শিখব এবং ক্যারিয়ার গড়ব
জানুন ডিজিটাল মার্কেটিং কি, ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে শিখব 

ডিজিটাল মার্কেটিং হচ্ছে ডিজিটাল মাধ্যম ব্যাবহার করে পণ্য ও সেবা মার্কেটিং/বিপণনের একটি প্রক্রিয়া। ডিজিটাল মার্কেটিং ইন্টারনেটের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে।

এটি ইন্টারনেট ব্যাবহার করে করা যায় বলে ডিজিটাল মার্কেটিং বলা হয়।

এটি এমন ডিভাইজ, যেমন কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, ওয়েবসাইট গুলিতে বা অন্য কোন ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন গুলির মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে নিজেদের পণ্যের মার্কেটিং করার একটি পদ্দতি।

প্রথমত ১৯৮০ দশকে ডিজিটাল বাজার প্রতিষ্ঠার লক্ষে প্রথম প্রচেষ্টা করা হয়েছিল। তবে কয়েক বার চেষ্টা করেও সফল করা সম্ভব হয়নি।

পরবর্তীতে এই ডিজিটাল বাজার ব্যবহার শুরু হয় ১৯৯০ এর দশকের শেষদিকে।

কোন কোম্পানি বা সংস্থার পণ্য নতুন গ্রাহকদের কাছে পৌঁছানোর একটি সহজ উপায় হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং।

এই পদ্দতিতে internet ব্যাবহার করে ডিজিটালি কোন বেক্তি ও সংস্থা তাদের ফিজিক্যাল বা ডিজিটাল পণ্যের বাজারজাত করন বা মার্কেটিং করে থাকে।

এই পদ্দতিকে অনেকে অনলাইন বিপণন ও বলে থাকেন। অনলাইন বিপণন বা ডিজিটাল মার্কেটিং একটি পণ্যকে কম সময়ে বেশি লোকের কাছে পৌঁছেতে পারে, ঐ সকল লোক যে গ্রাহক বা অঞ্চলকে আপনি টার্গেটে করবেন।

এটি বর্তমানে কোন সংস্থা বা বেক্তির ব্যবসা কে সহজে সারা দুনিয়া ব্যাপী প্রসারিত করার সুবিধা দিচ্ছে।

এখন এই প্রযুক্তিগত উন্নয়নকে উন্নয়নশীল অঞ্চল গুলি বেশি ব্যাবহার করছে।

ডিজিটাল মার্কেটিং করার উপকারিতা

আমারা ইতিমধ্যে জেনেছি যে ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং এটি কিভাবে বর্তমানে ব্যবসার প্রসার ঘটাচ্ছে।

এখন কোন ব্যবসায়ী বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তাদের গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোর পাশাপাশি তাদের-

  • কি প্রয়োজন ( গ্রাহকের ),
  • গ্রাহকের ক্রিয়াকলাপ ( গ্রাহক সম্পর্কে ধারণা),
  • তাদের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জানা। ( গ্রাহকের কি দরকার ),
  • কোথায় এবং কোন জিনিসের উপর গ্রাহক ট্রেন্ডিং করছে, ( গ্রাহকের আগ্রহ )
  • গ্রাহক কম্পানির কোন পণ্যটি বেশি খুঁজছেন,
  • এই সমস্ত তথ্য গুলি এখন ডিজিটাল মার্কেটিং বা ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য সম্ভভ হয়েছে।

সোজা কথায়, ডিজিটাল মার্কেটিং ব্যাবহারে সঠিক পণ্যটি উপযুক্ত গ্রাহকের কাছে পোঁছানোর পাশাপাশি মার্কেটিং বেবস্থাকে আরও বেশি শক্তিশালী করেছে।

আধুনিকতার যুগে সকলেই তাদেরকে আধুনিক সময়ে সাথে আধুনিকায়ন করতে ইচ্ছুক। এই ধারাবাহিকতায় ইন্টারনেট তাদেরকে আধুনিকতার একটি নতুন সূর্য দেখিয়েছে।

এই ডিজিটাল আধুনিকতার যুগে আমাদের একটি বড় অংশ নিজেদের ডিজিটালী পরিবর্তনের সাথে যুক্ত করে নিয়েছে।

ডিজিটাল মার্কেটিং ইন্টারনেট মাধ্যমে কাজ করতে সক্ষম এবং তারা তাদের পেশাকে ডিজিটালী উন্নীত করেছে।

আমাদের সমাজ যুগ যুগ ধরে অভাবকে নিয়ে লড়াই করে যাচ্ছে এবং বর্তমানে সমাজে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা অনেক, অভাবকে পুজি করে তারাও লড়াই করছে।

তাই সামনের দিন গুলিতে ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে জানা এবং এই বেবস্থাকে কাজে লাগানো জরুরি হয়ে পড়েছে।

উন্নত বিশ্বে লোকজন ডিজিটাল মার্কেটিং অনেক ভালধারনা রাখেন এবং ডিজিটাল মার্কেটিং সেক্টরে নিজেদের সংযুক্ত করেছেন।

প্রতিটি ব্যক্তি ইন্টারনেটে সংযুক্ত, তারা এটিকে সহজেই প্রতিটি জায়গায় ব্যবহার করতে পারে এবং করে নিজেকে উন্নীত করছে সমাজে।

আমাদের দেশের মানুষও ধীরে ধীরে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত হচ্ছে, ইন্টারনেট থেকে ডিজিটাল মার্কেটিং কি এই সম্পর্কে জানতে চাচ্ছে।

ডিজিটাল মার্কেটিং ভবিষ্যত

পরিবর্তন হল জীবনের একটি অংশ, মানুষ মাত্রই পরিবর্তনশীল, কথাটি আপনারা সবাই জানেন।

মানুষ নিজেকে, নিজের জীবন ও জীবিকাকে ধীরে ধীরে পরিবর্তন করে আজকের ইন্টারনেটের যুগে নিয়ে এসেছে।

সমস্ত জাত ও বর্ণের লোকেরা এখন নিজেকে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত করছে।

এই সকল কারণে পূর্বের যে কোন সময়ের তুলনায় আপনার কাঙ্ক্ষিত লোককে সংগ্রহ করা অনেক সহজ, যা পূর্বে অসম্ভব ছিল।

ইন্টারনেট এমন একটি মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা সকল ব্যবসায়ী এবং গ্রাহকদের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের পদ্দতি সম্পূর্ণ পরিবর্তন করে দিয়েছে।

ডিজিটাল মার্কেটিং চাহিদা বর্তমান সময়ে সেরা অবস্থানে রয়েছে। একজন বণিকের তৈরি করা পণ্য সহজেই তার গ্রাহকের কাছে চলে যাচ্ছে।

এটি ব্যবসায়কে ডিজিটালী বাড়াচ্ছে এবং অনেক ব্যবসায়ী নিজেকে ডিজিটালী ও ফাইনেন্সিয়ালি শক্ত অবস্থানে নিজে যাচ্ছে।

বিংশ শতাব্দী ছিলি বিজ্ঞাপন প্রছার যুগ। ঐ সময়ে গ্রাহক বিজ্ঞাপন দেখে পণ্য পছন্দ করত, কোন রেটিং মূল্যায়ন ছাড়াই পণ্যটি ক্রয় করত।

তবে এখন এক-বিংশ শতাব্দী ডিজিটাল মার্কেটিং পদ্দতিতে পণ্য সহজেই সরাসরি ভোক্তা বা গ্রাহকের কাছে প্রেরণ করা যায়।

প্রতিটি গ্রাহক পণ্য ক্রয়ের পূর্বে পণ্য সম্পর্কে গুগল, ফেসবুক, ইউটিউব ইত্যাদি ব্যবহার করে পণ্যের মান সম্পর্কে সঠিক ধারণা নিতে পারেন।

এই পদ্দতিতে ব্যবসায়ী এবং ক্রেতা উভয়ের কাছেই এখন অনেক পছন্দের যাকে এখন ডিজিটাল মার্কেটিং বলা হচ্ছে।

ডিজিটাল মার্কেটিং কত প্রকার ও কি কি?

বন্ধুরা আপনাদের বলেছি যে ডিজিটাল মার্কেটিং হল ইন্টারনেট ব্যাবহার করে পণ্য বিপণনের একটি মাধ্যম।

ইন্টারনেটে আপনি নিজেই বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যাবহার করে ডিজিটাল মার্কেটিং করতে পারবেন। অনলাইন ডিজিটাল মার্কেটিং করতে বেশ কিছু পদ্দতি চলমান রয়েছে।

চলুন দেখে নেই ডিজিটাল মার্কেটিং পদ্দতি সমূহ-

1# SEO ( সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশান) এসইও

একটি ওয়েবসাইটকে ( Webpage ) অনুসন্ধান করতে সার্চ ইঞ্জিনের ফলাফল গুলির উপর নির্ভর করতে হয়, এসইও নামের এই প্রযুক্তিগত মাধ্যমটি আপনার ওয়েবসাইট বা পেজকে সার্চ রেজাল্টে শীর্ষে রাখেতে সহয়তা করে।

আপনার ওয়েব পেজের এসইও সঠিকভাবে করতে পারলে আপানার পেজটিতে দর্শকদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। আপনার পণ্য ততো বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে।

এর কারণে এসইও নির্দেশনা অনুসরণ করে কীওয়ার্ড রিচার্জ করে ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে এবং পণ্যের গুগল সার্চ সম্পর্কে জানতে হবে। এটাই হল SEO/এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশান নামে পরিচিত।

2# Social Media ( সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম)

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ( Social Media) সম্পর্কে জানেন না এমন লোকের সংখ্যা এখন অনেক কম।

বন্ধুরা Social Media অনেকগুলি ওয়েবসাইটের নিয়ে গঠিত – যেমন Facebook, Twitter, Instagram, LinkedIn ইত্যাদি।

সোশ্যাল মিডিয়ার websites ব্যাবহারের ফলে একজন ব্যক্তি হাজার হাজার অপরিচিত মানুষের সাথে পরিচিত হতে পারে এবং তাদের সামনে তার নিজের মতামত প্রকাশ করতে পারে কোন ধরণের বাধা ছাড়াই।

সোশ্যাল মিডিয়া ডিজিটাল মার্কেটিং কে আরও বেশি গতিশীল করেছে।

কেননা আপনি লক্ষ্য করে থাকবেন-

যখন আপনি সোশ্যাল মিডিয়া সাইট গুলিতে ভিসিট করেন, তখন নির্দিষ্ট বিরতিতে ভিবিন্ন পণ্যের বিজ্ঞাপন দেখা যায়। বর্তমানে এটি বিজ্ঞাপনের একটি কার্যকর এবং সেরা কার্যকরী উপায় হয়ে দাঁড়িয়েছে ডিজিটাল মার্কেটিং হিসাবে।

3# Email Marketing ( ইমেইল মার্কেটিং )

ইমেইল মার্কেটিং হচ্ছে একটি ই-মেইলের মাধ্যমে কোনও সংস্থা বা ব্যক্তি তার পণ্য সম্পর্কে গ্রাহকে জানানো।

বর্তমানে একটি অপরিহার্য ডিজিটাল মার্কেটিং পদ্দতি হচ্ছে  ইমেইল মার্কেটিং। কারণ আপনার পণ্য সম্পর্কে, বিশেষ অফার, ছাড় ও নতুন পণ্য সম্পর্কে গ্রাহক কে সময়মতো জানানোর সেরা ও একটি সহজ উপায় এটি।

 4# YouTube Channel ( ইউটিউব চ্যানেল )

ইউটিউব বর্তমানে সেরা সোশ্যাল মিডিয়া গুলির একটি। গুগল পরিচালিত এই ভিডিও ফ্লাটফ্রমটিতে পণ্য বিক্রেতারা তাদের পণ্য গুলির সরাসরি মানুষের সামনে উপস্থাপন করতে পারে।

পণ্য সম্পর্কে লোকেরা জানতে পারেন এবং পণ্য সম্পর্কে তাদের প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করতে পারে।

বন্ধুরা বর্তমানে প্রচুর সংখ্যক লোক ইউটিউবে সময় ব্যয় করে থাকেন।

ভিডিও তৈরি করে ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশের মাধ্যমে আপনি আপনার পণ্য গ্রাহকের বাছে এবং দুনিয়াকে জানতে পারেন খুবি সহজে।

সামনের দিন গুলিতে ইউটিউব ডিজিটাল মার্কেটিং কে আরও বেশি প্রভাবিত করবে বলে মনে করা হয়। কেননা বর্তমানে লোকেরা টেক্সট কনটেন্ট থেকে ভিডিও কনটেন্ট বেশি দেখছে।

5# Affiliate Marketing ( অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং)

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে অনুমোদিত বিজ্ঞাপন বিপণন পদ্দতি।

এই পদ্দতিতে পণ্য মালিকের পক্ষ থেকে দেয়া অনুমোদিত লিংক প্রচারের মাধ্যমে যে কেউ পণ্যের প্রচার করতে পারেন।

বন্ধুরা অনুমোদিত লিংক নিজস্ব ওয়েবসাইট,  ব্লগ বা যে কোন মিডিয়ায় বা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে শেয়ার করে পণ্য বিক্রিকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলা হয়ে থাকে।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে পণ্য বিক্রি করার মাধ্যমে লিংক শেয়ার করা বেক্তি বা সংস্থা নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ পেয়ে থাকেন প্রতিটি সফল বিক্রয়ে।

এখন ডিজিটাল মার্কেটিং এই পদ্দতি টি লোকেদের কাছে অনেক প্রিয়।

5 # Apps Marketing ( অ্যাপস মার্কেটিং)

বর্তমানে মোবাইল অ্যাপ ডিজিটাল বিপণনের একটি অন্যতম মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানুষের কাছে নিজেদের পণ্য পৌঁছানোর জন্য এখন মোবাইল অ্যাপ ব্যাবহার হচ্ছে, একে অ্যাপস মার্কেটিং বলা হয়।

এই পদ্দতিতে পণ্য প্রচারের জন্য ইন্টারনেটে বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করে থাকে।

মোবাইল ব্যাবহারকারী গ্রাহকের সংখ্যা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে, তাই অ্যাপ পণ্য বিপণনের খুব ভাল উপায় হয়ে দাঁড়িয়েছে এটি।

6# PPC marketing

ধরুন আপনি আপনার পণ্যের বিজ্ঞাপন তৈরি করেছেন। তা কিভাবে রান করবেন। Google, YouTube, Facebook মার্কেটে পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার পদ্দতি হচ্ছে PPC marketing.

এই পক্রিয়ায় আপনাকে বিজ্ঞাপন টি দেখাতে টাকা খরচ করতে হবে।

এছাড়াও বিজ্ঞাপন ক্লিক করার সাথে সাথে আপনার কাছ থেকে টাকা কেটে নেওয়া হয়।

পণ্যের প্রচারে এটি বর্তমানে বেশি ব্যাবহার হয়ে থাকে, এটিও এক ধরণের ডিজিটাল মার্কেটিং

ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে শিখবো

আপনি যদি এই পোস্টটি এতক্ষণ ভালোভাবে পড়ে থাকেন তবে নিশ্চয়ই আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে আপনি কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং শুরু করবেন। 

বন্ধুরা ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে হলে সবার প্রথমে বিজ্ঞাপন ধরন এবং বিজ্ঞাপনের প্রচার কিভাবে করতে হয় এ সম্পর্কে ভালোভাবে। 

ইউটিউব ফেসবুক এবং গুগলের বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য আলাদা আলাদা পদ্ধতি রয়েছে.  সকল পদ্ধতি সম্পর্কে অবগত নয় তাই আপনি কোন পদ্ধতি জানতে চাই ভালোভাবে শিখুন।

ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স

তবে আপনি ইচ্ছা করলে ঘরে বসে ইউটিউব বা গুগল থেকে শিখতে পারেন।

যদি আপনি গুগল করে বুজতে না পারেন তবে বন্ধুরা ভালোভাবে এবং সহজে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে আপনাকে কোর্স করতে হবে।

যদি আপনারা ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স করার বিষয়ে ইচ্ছুক হন তবে আপনাকে ভালো কোন প্রতিষ্ঠান খুঁজে নিতে হবে।

অন্যথায় আপনি প্রতারিত হতে পারেন।

কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার গড়ব

বন্ধুরা আমরা আপনাকে মার্কেটিং মার্কেটিং পদ্দতিতে ৬ টি প্রকার সম্পর্কে আলোচনা করেছি। উপরোক্ত যেকোনো একটি পদ্ধতি সম্পর্কে আপনি ভালভাবে জ্ঞান অর্জন করুন।  

আশা করি আপনি একজন সফল ডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন, যেকোনো একটি পদ্ধতি সঠিকভাবে শিক্ষার মাধ্যম।  

আপনার কোন বিষয়টি বেশি ভালো লেগে এবং কোন বিষয়টি আপনার পছন্দ তা নির্বাচন করুন এবং আজ থেকে এই বিষয়ে কাজ করা শুরু করুন। 

নতুন প্রজন্মের কাছে নিজের ইন্টারনেট জ্ঞান পৌঁছে দেওয়া একটা ডিজিটাল মার্কেটিং।

আপনি কি করবেন এবং কি করতে ভালোবাসেন এটা একান্তই আপনার নিজের ব্যক্তিগত ইচ্ছা আমরা এখানে আপনাকে ডিজিটাল মার্কেটিং এর বিভিন্ন পদ্ধতি সম্পর্কে জানানোর চেষ্টা করেছি মাত্র।

আরও পড়ুনঃ Freelancing meaning in Bengali

উপসংহার 

আশা করি বাংলায় ডিজিটাল মার্কেটিং কি এই সম্পর্কে আপনি সঠিক ধারণা পেয়েছেন। নিজেকে আপনার যদি আরো কোন প্রশ্ন থাকলে আমাদের অবশ্যই কমেন্ট করে জানান।  

আপনার কমেন্টের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব উত্তর দেয়ার চেষ্টা করা হবে।

ইন্টারনেট তথ্য জানতে আমাদের সাথে থাকুন,  আমাদের ফেসবুক পেজ।

Leave a Comment

eighteen + fifteen =