বাংলাদেশে মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। মোটরসাইকেল নিবন্ধনের পর নিয়মিত যে কয়েকটি সরকারি কাজ সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক, তার মধ্যে অন্যতম হলো মোটরসাইকেল ট্যাক্স টোকেন নবায়ন করা। নির্ধারিত সময়ে ট্যাক্স টোকেন নবায়ন না করলে জরিমানা গুনতে হতে পারে, এমনকি ট্রাফিক পুলিশের অভিযানে আইনগত ঝামেলায়ও পড়তে পারেন।
বর্তমানে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ডিজিটাল সেবা চালু করায় ঘরে বসেই অনলাইনে ট্যাক্স টোকেন নবায়ন করা সম্ভব। এছাড়া নির্ধারিত ব্যাংকের মাধ্যমেও সহজেই ট্যাক্স টোকেন নবায়ন করা যায়।
এই গাইডে মোটরসাইকেল ট্যাক্স টোকেন নবায়ন করার নিয়ম, ট্যাক্স টোকেন কী, কত টাকা ফি লাগে, অনলাইনে BRTA ট্যাক্স টোকেন চেক করার নিয়ম, কোন ব্যাংকে টাকা জমা দিতে হয় এবং ২০২৬ সালের সর্বশেষ তথ্য বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
Content Summary
ট্যাক্স টোকেন কী?
ট্যাক্স টোকেন হলো মোটরযানের উপর সরকার নির্ধারিত বার্ষিক কর পরিশোধের সরকারি প্রমাণপত্র। নতুন মোটরসাইকেল নিবন্ধনের সময় বিআরটিএ প্রথম ট্যাক্স টোকেন ইস্যু করে।
এরপর নির্ধারিত সময় শেষে এটি নিয়মিত নবায়ন করতে হয়।
ট্যাক্স টোকেনের মাধ্যমে নিশ্চিত হয় যে মোটরযানের সরকারি কর পরিশোধ করা হয়েছে। এটি মোটরসাইকেলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈধ কাগজপত্র।
কেন ট্যাক্স টোকেন গুরুত্বপূর্ণ
- মোটরযানের কর পরিশোধের সরকারি প্রমাণ
- ট্রাফিক পুলিশের চেকিংয়ে বাধ্যতামূলক
- বিআরটিএর বিভিন্ন সেবা নিতে প্রয়োজন হয়
- মালিকানা পরিবর্তনের সময় দরকার হয়
- আইনগত জটিলতা এড়াতে সহায়ক
মেয়াদোত্তীর্ণ ট্যাক্স টোকেন নিয়ে রাস্তায় মোটরসাইকেল চালানো আইনত দণ্ডনীয়।
মোটরসাইকেল ট্যাক্স টোকেন নবায়ন করতে কি কি লাগে
ট্যাক্স টোকেন নবায়নের আগে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখা উচিত। এতে আবেদন দ্রুত সম্পন্ন হয়।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
- পূর্বের ট্যাক্স টোকেন
- মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট
- জাতীয় পরিচয়পত্র
- প্রয়োজন হলে টিআইএন সার্টিফিকেট
- অনলাইনে আবেদন করলে স্ক্যান কপি
- মোবাইল নম্বর
- ইমেইল (অনলাইন অ্যাকাউন্টের জন্য)
যদি অন্য কারও মাধ্যমে নবায়ন করান, তাহলে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বা অনুমতিপত্র লাগতে পারে।
মোটরসাইকেল ট্যাক্স টোকেন নবায়ন ফি কত টাকা ২০২৬
২০২৬ সালে মোটরসাইকেলের ট্যাক্স টোকেন ফি ইঞ্জিন ক্ষমতার ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়েছে।
১০০ সিসি পর্যন্ত
- প্রতি দুই বছরে কর ১,১৫০ টাকা
১০০ সিসির বেশি
- প্রতি দুই বছরে কর ২,৩০০ টাকা
এফএএফ ফি
- এককালীন ১,১৫০ টাকা
অনলাইন পেমেন্ট করলে ব্যবহৃত পেমেন্ট গেটওয়ের উপর নির্ভর করে অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ যুক্ত হতে পারে।
অনলাইনে মোটরসাইকেল ট্যাক্স টোকেন নবায়ন
বর্তমানে BRTA Service Portal ব্যবহার করে ঘরে বসেই মোটরসাইকেল ট্যাক্স টোকেন নবায়ন করা যায়।
- ধাপ ১: BRTA Service Portal এ প্রবেশ করুন।
- ধাপ ২: জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মতারিখ ও মোবাইল নম্বর দিয়ে নিবন্ধন করুন।
- ধাপ ৩: Vehicle Information অপশনে যান।
- ধাপ ৪: মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিন।
- ধাপ ৫: Renewal অপশন নির্বাচন করুন।
- ধাপ ৬: প্রদর্শিত ফি যাচাই করুন।
- ধাপ ৭: বিকাশ, নগদ, ডেবিট কার্ড অথবা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট সম্পন্ন করুন।
- ধাপ ৮: সফল পেমেন্টের পর নবায়নকৃত ট্যাক্স টোকেন কুরিয়ারের মাধ্যমে আপনার ঠিকানায় পৌঁছে যাবে।
অনলাইনে নবায়নের সুবিধা
- অফিসে লাইনে দাঁড়াতে হয় না
- দ্রুত আবেদন সম্পন্ন করা যায়
- অনলাইনে স্ট্যাটাস দেখা যায়
- ঘরে বসেই পেমেন্ট করা যায়
- কুরিয়ারে ট্যাক্স টোকেন পাওয়া যায়
ট্যাক্স টোকেন নবায়ন ফি ক্যালকুলেটর ২০২৬
অনেকেই জানতে চান, মোটরসাইকেলের ট্যাক্স টোকেন নবায়নের সময় মোট কত টাকা পরিশোধ করতে হবে। প্রকৃতপক্ষে এটি নির্ভর করে মোটরসাইকেলের ইঞ্জিন ক্ষমতা, পূর্বে ট্যাক্স পরিশোধের অবস্থা এবং বিলম্ব হয়েছে কিনা তার উপর।
যদি আপনার মোটরসাইকেল ১০০ সিসি বা তার কম হয়, তাহলে প্রতি দুই বছরের জন্য ১,১৫০ টাকা কর নির্ধারিত। আর ১০০ সিসির বেশি মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে প্রতি দুই বছরের কর ২,৩০০ টাকা। নতুন নিবন্ধনের সময় এককালীন এফএএফ ফি ১,১৫০ টাকা প্রযোজ্য হয়।
যদি নির্ধারিত সময়ের পর নবায়ন করেন, তাহলে মূল করের সঙ্গে বিলম্বজনিত জরিমানাও যুক্ত হবে। তাই ট্যাক্স টোকেনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নবায়ন করা সবচেয়ে ভালো।
নিচে একটি সাধারণ হিসাব দেওয়া হলো।
| মোটরসাইকেলের ধরন | কর |
| ১০০ সিসি পর্যন্ত | ১,১৫০ টাকা |
| ১০০ সিসির বেশি | ২,৩০০ টাকা |
| এফএএফ ফি | ১,১৫০ টাকা |
| বিকাশ সার্ভিস চার্জ | প্রযোজ্য হলে অতিরিক্ত |
সর্বশেষ ফি জানতে BRTA সার্ভিস পোর্টালে লগইন করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার মোট পরিশোধযোগ্য টাকা দেখাবে।
অনলাইনে BRTA ট্যাক্স টোকেন চেক করুন
বর্তমানে BRTA Service Portal থেকে খুব সহজেই আপনার মোটরসাইকেলের ট্যাক্স টোকেনের বর্তমান অবস্থা দেখা যায়। এতে ট্যাক্স টোকেনের মেয়াদ, সর্বশেষ নবায়নের তারিখ এবং পরবর্তী নবায়নের সময় জানা যায়।
স্ট্যাটাস দেখার নিয়ম
প্রথমে BRTA Service Portal-এ লগইন করুন।
Vehicle Information মেনুতে প্রবেশ করুন।
আপনার মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখুন।
এরপর সার্চ করলে নিচের তথ্যগুলো দেখতে পারবেন।
বর্তমান ট্যাক্স টোকেন বৈধ কিনা
কবে নবায়ন হয়েছে
কবে মেয়াদ শেষ হবে
পরবর্তী নবায়নের তারিখ
যদি ট্যাক্স টোকেনের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়, তাহলে সিস্টেমে সতর্ক বার্তা প্রদর্শিত হবে এবং রিনিউ অপশন চালু থাকবে।
আরও পড়ুনঃ সরকারি সেবা শতভাগ ডিজিটালাইজেশন হবে ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর
ই ট্যাক্স টোকেন কী?
ডিজিটাল বাংলাদেশের অংশ হিসেবে BRTA বর্তমানে ই ট্যাক্স টোকেন সেবা চালু করেছে। ফলে কাগজপত্র নিয়ে অফিসে ঘোরাঘুরি করার প্রয়োজন অনেকটাই কমে গেছে।
ই ট্যাক্স টোকেনের সুবিধা
ঘরে বসেই আবেদন করা যায়
অনলাইনে পেমেন্ট করা যায়
স্ট্যাটাস দেখা যায়
ডিজিটাল রেকর্ড সংরক্ষিত থাকে
কুরিয়ারে ট্যাক্স টোকেন পাওয়া যায়
ভবিষ্যতে BRTA-এর আরও অধিকাংশ সেবা সম্পূর্ণ ডিজিটাল হওয়ার ফলে এই সেবা আরও সহজ হবে।
মোটরসাইকেল ট্যাক্স টোকেন নবায়ন ফি কোন কোন ব্যাংকে
যারা অনলাইনে আবেদন করতে চান না, তারা BRTA অনুমোদিত বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে ট্যাক্স টোকেন নবায়ন করতে পারবেন।
বর্তমানে নির্ধারিত ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে
ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক
সাউথইস্ট ব্যাংক
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ
সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক
আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক
স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক
এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক
এসবিএসি ব্যাংক
মিডল্যান্ড ব্যাংক
মধুমতি ব্যাংক
এনআরবি ব্যাংক
ন্যাশনাল ব্যাংক
মার্কেন্টাইল ব্যাংক
ওয়ান ব্যাংক
ব্যাংকে গিয়ে আবেদন করলে সঙ্গে নিয়ে যাবেন
পুরোনো ট্যাক্স টোকেন
রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট
জাতীয় পরিচয়পত্র
প্রয়োজনীয় ফি
ফি জমা দেওয়ার পর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ নবায়নের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।
ট্যাক্স টোকেনের মেয়াদ শেষ হলে কী হবে
অনেকেই বছরের পর বছর ট্যাক্স টোকেন নবায়ন করেন না। এটি একটি বড় ভুল।
মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে
জরিমানা দিতে হবে
ট্রাফিক পুলিশের মামলার মুখোমুখি হতে পারেন
বিআরটিএর অন্যান্য সেবা নিতে সমস্যা হবে
মালিকানা পরিবর্তন করা কঠিন হবে
ফিটনেস সংক্রান্ত কাজেও জটিলতা হতে পারে
তাই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নবায়ন করে নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।
আরও পড়ুনঃ টেলিটক বিক্রি করবে না সরকার, আধুনিকায়নের ঘোষণা আইসিটি মন্ত্রীর
ট্যাক্স টোকেন ও ফিটনেস সার্টিফিকেটের পার্থক্য
অনেকেই ট্যাক্স টোকেন এবং ফিটনেস সার্টিফিকেটকে একই বিষয় মনে করেন। কিন্তু বাস্তবে দুটি সম্পূর্ণ আলাদা।
ট্যাক্স টোকেন
এটি মোটরযানের কর পরিশোধের প্রমাণ।
প্রতি বছর বা নির্ধারিত সময় অনুযায়ী নবায়ন করতে হয়।
ব্যাংক অথবা BRTA পোর্টালের মাধ্যমে পাওয়া যায়।
ফিটনেস সার্টিফিকেট
এটি প্রমাণ করে মোটরযানটি সড়কে চলাচলের উপযোগী।
গাড়ি পরীক্ষা করার পর BRTA এটি প্রদান করে।
নির্ধারিত সময় পর পর নবায়ন করতে হয়।
দুটি কাগজই বৈধ মোটরযান পরিচালনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষ পরামর্শ
সবসময় ট্যাক্স টোকেনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে নবায়ন করুন।
শুধুমাত্র BRTA-এর অফিসিয়াল পোর্টাল ব্যবহার করুন।
ভুয়া ওয়েবসাইটে কোনো তথ্য বা অর্থ প্রদান করবেন না।
অনলাইন আবেদন করার সময় মোবাইল নম্বর ও ঠিকানা সঠিকভাবে লিখুন।
সব রসিদ এবং পুরোনো ট্যাক্স টোকেন সংরক্ষণ করুন।
প্রতিবার নবায়নের পর তথ্য মিলিয়ে নিন।
আরও পড়ুনঃ আঙুলের ছাপ চুরি করে সচল হাজারো সিম, কীভাবে চলছে প্রি অ্যাক্টিভেটেড সিম প্রতারণা
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
মোটরসাইকেল ট্যাক্স টোকেন হলো বিআরটিএ কর্তৃক ইস্যুকৃত একটি সরকারি সনদ, যা প্রমাণ করে যে আপনার মোটরসাইকেলের নির্ধারিত সরকারি কর পরিশোধ করা হয়েছে। এটি বৈধভাবে মোটরসাইকেল চালানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি কাগজ।
সাধারণত পূর্বের ট্যাক্স টোকেন, মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং প্রয়োজনীয় ফি জমা দিতে হয়। অনলাইনে আবেদন করলে এসব কাগজের স্ক্যান কপি আপলোড করতে হতে পারে।
১০০ সিসি বা তার কম মোটরসাইকেলের জন্য প্রতি দুই বছরে ১,১৫০ টাকা এবং ১০০ সিসির বেশি মোটরসাইকেলের জন্য প্রতি দুই বছরে ২,৩০০ টাকা কর নির্ধারিত রয়েছে। নতুন নিবন্ধনের সময় এককালীন এফএএফ ফি প্রযোজ্য হতে পারে।
হ্যাঁ। BRTA Service Portal ব্যবহার করে অনলাইনে আবেদন, ফি পরিশোধ এবং ট্যাক্স টোকেন নবায়ন করা যায়। বিকাশ, নগদ, ডেবিট কার্ড ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট করা সম্ভব।
নির্ধারিত সময়ে নবায়ন না করলে জরিমানা দিতে হতে পারে। এছাড়া ট্রাফিক পুলিশের অভিযানে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে এবং বিআরটিএর বিভিন্ন সেবা গ্রহণেও সমস্যা হতে পারে।
BRTA Service Portal-এ লগইন করে Vehicle Information অপশনে মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখলেই ট্যাক্স টোকেনের বর্তমান অবস্থা, মেয়াদ এবং নবায়নের তথ্য দেখা যাবে।
ই ট্যাক্স টোকেন হলো বিআরটিএর ডিজিটাল সেবা, যার মাধ্যমে অনলাইনে ট্যাক্স টোকেন আবেদন, পেমেন্ট এবং নবায়ন করা যায়। এতে সময় ও ভোগান্তি দুটোই কমে।
বিআরটিএ অনুমোদিত বিভিন্ন ব্যাংক যেমন ইসলামী ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংকসহ নির্ধারিত অন্যান্য ব্যাংকে ট্যাক্স টোকেন নবায়নের ফি জমা দেওয়া যায়।
না। ট্যাক্স টোকেন হলো কর পরিশোধের প্রমাণপত্র, আর ফিটনেস সার্টিফিকেট হলো মোটরযান সড়কে চলাচলের উপযোগী কিনা তার সনদ। দুটি আলাদা এবং দুটিই গুরুত্বপূর্ণ।
হ্যাঁ। BRTA-এর অনলাইন সেবা ব্যবহার করে বিদেশ থেকেও আবেদন ও পেমেন্ট সম্পন্ন করা যায়। আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সুবিধা থাকলে প্রক্রিয়াটি আরও সহজ হয়।
উপসংহার
মোটরসাইকেল ট্যাক্স টোকেন নবায়ন করা প্রতিটি মোটরসাইকেল মালিকের আইনগত দায়িত্ব। বর্তমানে বিআরটিএর ডিজিটাল সেবার কারণে অনলাইনে মোটরসাইকেল ট্যাক্স টোকেন নবায়ন আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়েছে।
নির্ধারিত সময়ের আগে ট্যাক্স টোকেন নবায়ন করলে জরিমানা এড়ানো যায় এবং ভবিষ্যতে ফিটনেস, মালিকানা পরিবর্তন বা অন্যান্য সরকারি সেবা গ্রহণেও কোনো সমস্যা হয় না।
তাই মোটরসাইকেলের ট্যাক্স টোকেনের মেয়াদ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করুন এবং সময়মতো নবায়ন করুন।
আরও পড়ুনঃ সব হাসপাতালে নরমাল ডেলিভারি রুম বাধ্যতামূলক, নির্দেশ না মানলে লাইসেন্স বাতিল
এছাড়াও টেক নিউজ আপডেট নিয়মিত আপনার মোবাইলে পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।
ভিজিট করুন 👉
━ ━ ━ ━ ━ ━ ━ ━
ডিজিটাল টাচ ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন ।ডিজিটাল টাচ সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুনঃ এই লিংকে।


